ঘুষ

দণ্ডবিধি, ১৮৬০
ধারা ১৬১
ঘুষের সংঙ্গাঃ কোন সরকারি কর্মচারী তার বৈধ পারিশ্রমিক ব্যতীত অন্যায়ভাবে অতিরিক্তি অর্থ উপার্জন করাকে ঘুষ বলে।

ঘুষের ব্যাখ্যাঃ
ঘুষ আদান প্রদানে নিম্নোক্ত তিন ধরনের লোক প্রয়োজনঃ
১) ঘুষ গ্রহীতা
খ) ঘুষ দাতা
৩) ঘুষ দেওয়ার মাধ্যম

যে ব্যক্তি ঘুষ নিবে, সে ব্যক্তি কর্তৃক টাকা ঘুষ নেওয়ার সাজা।
-----------------------------------------------------------------------------------
ধারা ১৬২ যার মা্ধ্যমে ঘুষ দিবেন সে যদি ঘুষ গ্রহিতার উপর ব্যক্তিগত প্রভাব খাটাতে না পারেন এমন দালালের সাজা।

ধারা ১৬৩ যার মাধ্যমে ঘুষ নিবেন সে যদি নিকটতম লোক হয়, সেই নিকটতম দালালের সাজা।

ধারা ১৬৪ কাছের এবং দুরের উভয় দালাল সহায়তাকারী হিসেবে দালালের সাজা।

ধারা ১৬৫ যে ব্যক্তি ঘুষ নিবে সে ব্যক্তি কর্তৃক মূল্যবান জিনিসপত্র ঘুষ নেওয়ার সাজা।

ধারা ১৬৫(ক) যে ব্যক্তি ঘুষ দিবেন, তার ঘুষ যদি অফিসার গ্রহণ না করেন তাহলে ঘুষ প্রদানকারী ব্যক্তি ঘুষের সহায়তাকারী হিসেবে সাজা পাবেন।
১। টাকা ঘুষ না নিলে ১৬১/১১৬ ধারায় সাজা।
২। মূল্যবান দ্রব্যাদি গ্রহণ না করলে ১৬৫/১১৬ ধারায় সাজা।

ধারা ১৬৫ (খ) যে ব্যক্তি ঘুষ দিবেন, তার ঘুষ যদি অফিসার গ্রহণ করেন তাহলে ঘুষ প্রদানকারী ব্যক্তি অপরাধের দায় হতে রেহায় পাবেন।
Hamim LAW Academy

Hamim LAW Academy

Online School of Law, Bangladesh. Online Law Learning Platform.

Post A Comment:

0 comments: