দণ্ডবিধি, ১৮৬০ (The Penal Code,1860)
(১৮৬০ সালের ৪৫নং আইন)

তথ্যকণিকা

➲ ভারতীয় উপমহাদেশে সর্বপ্রথম আইন কমিশন গঠনঃ ১৮৩৪ সালে।
প্রথম আইন কমিশনের ---
  • চেয়ারম্যানঃ থমাস ব্যাবিংটন ম্যাকুলে (Loard Macaulay)
  •  কমিশনারঃ G.W. Anderson , F. Millet এবং J.M. Macleod
➲ আইন কমিশন কর্তৃক দণ্ডবিধি প্রণয়নের খসড়া জমাঃ ১৮৩৭ সালে।
প্রথম পাশঃ ৬ অক্টোবর, ১৮৬০
কার্যকরঃ ১ জানুয়ারী, ১৮৬২
সর্বশেষ সংশোধনঃ ২০০৪ সালে। [ ধারা ৮২ এবং ধারা ৮৩ ]

⇛ আইনের ধরণঃ মূল আইন/ তত্ত্বগত আইন (Substantive Law)
⇛ আইন নং: ১৮৬০ সালের ৪৫নং আইন।
⇛ দণ্ডবিধিতে ধারাঃ ৫১১ টি। [ মূল দণ্ডবিধিতে ধারা ছিলঃ ৪৮৮টি। ]
⇛ অধ্যায়ঃ ২৩টি।

ফৌজদারী অপরাধের অভিযুক্ত করার প্রাথমিক শর্তসমূহঃ
  1. অপরাধী মন (ল্যাটিনঃ Mens Rea, ইংরেজিঃ Guilty Mind) এবং
  2. দোষাবহ কার্য বা অপরাধজনক কার্য (Actus Reus)
    বিঃ দ্রঃ Actus Reus এবং Mens Rea ল্যাটিন ম্যাক্সিম Actus non facit reum nisi mens sit rea নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত।

দণ্ডবিধি ১৮৬০
দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর তথ্যকণিকা

⇒ দণ্ডবিধির কার্যকর সীমানাঃ সমগ্র বাংলাদেশ [ ধারা ১ ]

⇒ দণ্ডবিধি যাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্যঃ 
  • বাংলাদেশে ভিতরে অবস্থানরত বাংলাদেশী নাগরিক [ ধারা ২ ]
  • বাংলাদেশের বহির্ভাগে অবস্থানরত বাংলাদেশী নাগরিক [ ধারা ৩ ]
  • বাংলাদেশে নিবন্ধনকৃত কোন জাহাজ বা বিমানে অবস্থানরত যে কোন ব্যক্তি [ ধারা ৪ ]

⏭ শাস্তির প্রকারভেদঃ ধারা ৫৩

        দণ্ডসমূহঃ পাঁচ (০৫) প্রকার। যথাঃ

        ১. মৃত্যুদণ্ড (Death sentence) :    [ সর্বোচ্চ শাস্তি/ দণ্ড; ধারা ৩০৩ ]

        ২. যাবজ্জীবন কারাবাস (Imprisonment for Life) :    [ সর্বোচ্চ কারাবাস- ২০ বছর ]

        ৩. কারাবাস (Imprisonment), যা হতে পারেঃ
            ক) সশ্রম (Rigorous) বা, খ) বিনাশ্রম (Simple) :    [ ধারা ৫৩ ]

        ৪. সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত (Forfeiture of Property) :    [ধারাঃ ১২৬, ১২৭, এবং ১৬৯]

        ৫. অর্থদণ্ড বা জরিমানা (Fine) :    [ সর্বনিম্ন অর্থদণ্ড ১০ টাকা। (ধারা ৫১০) ]

      বিঃ দ্রঃ
  • যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের ক্ষেত্রে কারাবাস সর্বদাই সশ্রম (Rigorous) হবে। (যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পূর্বনামঃ দীপান্তর; ধারা ৫৩ক ]
  • অন্যান্য ক্ষেত্রে কারাবাস সশ্রম বা বিনাশ্রম হতে পারে।
  • দণ্ডবিধির অধীনে বেত্রাঘাত (Whipping) এবং যাবজ্জীবন দীপান্তর (Transportation for Life) অননুমোদিত সাজা।
  • শাস্তিঃ ৫ (পাঁচ) প্রকার [ ধারা ৫৩ ]
  • সর্বোচ্চ শাস্তিঃ মৃত্যুদণ্ড  [ধারা ৩০৩ ] ( ১০টি ধারায় মৃত্যুদণ্ডের বিধান রয়েছে। )
  • সর্বনিম্ন কারাবাসঃ ২৪ ঘন্টা পর্যন্ত [ ধারা ৫১০ ]
  • সর্বোচ্চ কারাবাসঃ ২০ বছর
  • সর্বনিম্ন জরিমানাঃ ১০ টাকা [ ধারা ৫১০ ] 
  • মৃত্যুদণ্ডের বিধান বর্ণিতঃ ১০ টি ধারায়
  • যাবজ্জীবন কারাবাসের বিধান বর্ণিতঃ ৫৫টি ধারায়
  • বিনাশ্রম কারাবাসের বিধান বর্ণিতঃ ১৯টি ধারায়
  • সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত (Forfeiture of Property) : ৩টি ধারায়   [ধারাঃ ১২৬, ১২৭, এবং ১৬৯]
  • অর্থদণ্ডের বিধান বর্ণিতঃ ১১টি ধারায়
  • দণ্ডবিধির সর্বশেষ (শাস্তির) ধারাঃ ৫১১

➲ অপরাধ সম্পর্কিত আলোচনাঃ
  • অপরাধ প্রধানতঃ তিন (০৩) প্রকার।
  • অপরাধের উপাদানঃ ৪ (চার) টি।
  • দণ্ডবিধিতে ধর্মীয় ও নেতিক অপরাধের জন্য শাস্তির বিধান নেই।
  • আমলে দিক বিবেচনায় অপরাধ দুই (০২) প্রকারযথাঃ ক) আমোযোগ্য ও খ) আমল অযোগ্য
  • জামিনের দিক বিবেচনায় অপরাধ দুই (০২) প্রকারযথাঃ ক) জামিনযোগ্য ও জামিন অযোগ্য
  • আপোষের দিক বিবেচনায় অপরাধ তিন (০৩) প্রকার। যথাঃ ক) আপোষযোগ্য, আপোষ অযোগ্য এবং গ) আদালতের অনুমতিক্রমে আপোষযোগ্য।

যাবজ্জীবন কারাবাসসহ অর্থদণ্ড অনাদায়ে কারাবাসের মেয়াদঃ
    যাবজ্জীবন কারাবাসকে ৩০ বছর ধরতে হবে। এবং ৩০ বছরের ১/৪ অংশই হবে নির্ণেয় সর্বোচ্চ শাস্তি।
    [ সমন্বয়ঃ (ধারা ৫৭ + ধারা ৬৫) প্রযোজ্য ]
     
    অর্থ্যাৎ ৩০ × ১/৪ = ৭.৫ বছর।
     
    সুতরাং যাবজ্জীবন কারাবাসসহ অর্থদণ্ড অনাদায়ে কারাবাসের সর্বোচ্চ মেয়াদ হবেঃ ৭ বছর ৬ মাস।

    ধারা ৬৫ (কারাবাসসহ অর্থদণ্ড অনাদায়ে কারাবাসের মেয়াদ): 
    উক্ত অপরাধের নির্ধারিত সর্বোচ্চ কারাবাসের ১/৪ অংশের বেশি হবে না।

ধারা ৬৭ (শুধুমাত্র অর্থদণ্ড অনাদায়ে কারাবাসের মেয়াদ):
    শুধুমাত্র অর্থদণ্ড অনাদায়ে নিম্নবর্ণিতহারে বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দন্ডিত করা হয়। যথাঃ
  • অনধিক ৫০ টাকাঃ ২ মাস।
  • অনধিক ১০০ টাকাঃ ৪ মাস।
  • ১০০ টাকার অধিকঃ ৬ মাস।
    সুতরাং শুধুমাত্র অর্থদণ্ড অনাদায়ে সর্বোচ্চ কারাবাসঃ ৬ মাস।


➲ ধারা ৭৩ (নির্জন কারাবাস):
    প্রযোজ্য ক্ষেত্রঃ সশ্রম কারাদণ্ডে আদালত এ আদেশ দিতে পারেন। (সর্বোচ্চ ৩ মাস)

নির্জন কারাবাস


➲ ধারা ৭৪ (নির্জন কারাবাসের সীমা):
  • নির্জন কারাবাস এককালীন ১৪ দিনের বেশি হবে না।
  • আরোপিত কারাবাসের মেয়াদ ৩ মাসের বেশি হলে নির্জন কারাবাস কোন মাসে ৭ দিনের বেশি হবে না।
  • নির্জন কারাবাসে পূর্বে ও পরে বিরাম থাকবে অথ্যাৎ বিরতিহীন হবে না


⇒ দণ্ডবিধিতে ১২ ধরণের সরকারী কর্মচারীর কথা বলা হয়েছে। [ ধারা ২১ ]

⇛ সাধারণ অভিপ্রায়ের উপাদানঃ ৩ (তিন) টি [ ধারা ৩৪ ]

 যাবজ্জীবন দ্বীপান্তরঃ যাবজ্জীবন কারাবাসকে বুঝাবে। [ ১৯৮৫ সালের ৪১নং আইন দ্বারা প্রতিস্থাপিত ] [ ধারা ৫৩ ]

 যাবজ্জীবন কারাবাসঃ দণ্ডিত ব্যক্তির স্বাভাবিক জীবনের অবশিষ্ট জীবনব্যাপী (Imprisonment for life) সশ্রম কারাবাস। [ ধারা ৫৩ ]

 যাবজ্জীবন কারাবাস সর্বদাই সশ্রম (Rigorous) হবে। [ ধারা ৫৩ ]

 বর্তমানে দণ্ডবিধিতে যাবজ্জীবন দীপান্তর (Transportation for Life)  অননুমোদিত সাজা

 স্বল্প মেয়াদের দ্বীপান্তরের উল্লেখ থাকলে তা রদ হবে। [ ধারা ৫৩ ]

 সরকার অপরাধীর সম্মতি ছাড়াই মৃত্যুদণ্ড হ্রাস করে অন্য যেকোন দণ্ডে রূপান্তরিত করতে পারেন। [ ধারা ৫৪ ]

সরকার অপরাধীর সম্মতি ছাড়াই যাবজ্জীবন কারাবাস হ্রাস করে অনধিক কারাবাস দিতে পারেঃ ২০ বছর [ ধারা ৫৫ ]

⇛ রাষ্ট্রপতির বিশেষ অধিকার সংরক্ষিতঃ ৫৫ক ধারায়
 
শাস্তির মেয়াদের ভগ্নাংশ হিসেবে যাবজ্জীবন কারাবাস গণ্য হবেঃ ৩০ বছর [ ধারা ৫৭ ]
  
⇛ যেকোন বর্ণনার কারাবাসের ক্ষেত্রেঃ কারাবাস সম্পূর্ণরূপে অথবা আংশিকভাবে সশ্রম বা বিনাশ্রম হতে পারে। [ ধারা ৬০ ]

⇛ অর্থদণ্ডের পরিমাণ উল্লেখ না থাকলে, সীমা থাকবে না, তবে এটা অতিরিক্ত হবে না। [ ধারা ৬৩ ]

অর্থদণ্ড অনাদায়ে কারাবাসঃ সর্বোচ্চ কারাবাসের ১/৪ অংশ [ ধারা ৬৫ ]
 
 
যাবজ্জীবন কারাবাসসহ অর্থদণ্ড অনাদায়ে কারাবাসের সর্বোচ্চ মেয়াদ হবেঃ ৭ বছর ৬ মাস। [ ধারা ৬৫ ]

 
শুধুমাত্র অর্থদণ্ড অনাদায়ে সর্বোচ্চ কারাবাসঃ ৬ মাস। [ ধারা ৬৭ ]
 
 
অর্থদণ্ড আদায়যোগ্য (দণ্ডাজ্ঞা প্রদানের পরবর্তী): ৬ বছরের মধ্যে [ ধারা ৭০ ]

⏩ ৬ বছরের অধিক কারাদণ্ডের ক্ষেত্রে অর্থদণ্ড আদায়যোগ্যঃ উক্ত মেয়াদ সমাপ্তির পূর্বে যেকোন সময় [ ধারা ৭০ ]

⇛ দণ্ডবিধিতে সাধারণ ব্যতিক্রমসমূহের (General Exceptions) বিষয় উল্লেখিত আছেঃ ৪র্থ অধ্যায়ে

৯ (নয়) বছরের কম বয়স্ক শিশুর কার্য অপরাধ না। [ ধারা ৮২]


⏩ অপরাধ হিসেবে গণ্য হতে পারে আবার নাও পারেঃ ৯ বছরের বেশি কিন্তু ১২ বছরের কম শিশুর কার্য। [ ধারা ৮৩ ]

⏩ আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগের সীমাঃ ৫টি ক্ষেত্রে [ ধারা ৯৯ ]

⏩ ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অধিকার রক্ষায় মৃত্যু ঘটানো যায়ঃ ৬টি ক্ষেত্রে [ ধারা ১০০ ]

⏩ সম্পত্তি প্রতিরক্ষার অধিকার রক্ষায় মৃত্যু ঘটানো যায়ঃ ৪টি ক্ষেত্রে [ ধারা ১০৩ ]

অপসহায়তা (Abetment) হতে পারেঃ ৩ টি উপায়ে।  [ ধারা ১০৭ ]
    যথাঃ ক) প্ররোচণা, খ) ষড়যন্ত্র, এবং গ) সহায়তা

⇛ অপসহায়তার সর্বনিম্ন সদস্য সংখ্যাঃ ১ জন।  [ ধারা ১০৭ ]

⇛  অপসহায়তার সংজ্ঞা রয়েছেঃ ১০৮ ধারায়।   [ ধারা ১০৮ ]

⇛  ১০৮ ধারায় ব্যাখ্যা রয়েছেঃ ৮ টি।   [ ধারা ১০৮ ]

⇛ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর প্রথম শাস্তি ধারাঃ ১০৯ ধারা   [ ধারা ১০৯ ]

নরহত্যাঃ দুই (০২) প্রকার। যথাঃ ক) শাস্তিযোগ্য, খ) শাস্তিঅযোগ্য

⇛ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ৩০০ ধারায় ব্যাতিক্রম (খুনের) আছেঃ ৫টি [ ধারা ৩০০ ]

⇛ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ৩০০ ধারায় খুনের উপাদানঃ ৪টি [ ধারা ৩০০ ]

⇛ নিন্দনীয় নরহত্যায় প্রযোজ্য বয়সঃ ১৮ বছরের অধিক [ ধারা ৩০০ ]

⇛ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তি কর্তৃক সংঘটিত খুনের সর্বনিম্ন শাস্তিঃ মৃত্যুদণ্ড [ একমাত্র শাস্তি; ধারা ৩০৩ ]

⇛ মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়ঃ ফাঁসিতে ঝুলিয়ে [ ফৌঃ কাঃ ধারা ৩৬১(১) ]

⇛ আঘাতের উপাদানঃ ৩টি। [ ধারা ৩১৯ ]
     যথাঃ ক) ব্যাথা, খ) ব্যাধি, গ) বৈকল্য

আট (০৮) শ্রেণির আঘাতকে গুরুতর আঘাত বলে গণ্য করা হয়েছে। [ ধারা ৩২০ ]

 মারাত্মক জখম এর জন্য নির্ধারিত সময়ঃ ২০ দিন [ ধারা ৩২০ ]

 বেআইনী সমাবেশের সদস্য সংখ্যাঃ ৫ (পাঁচ) বা ততোধিক (প্রত্যেকের উদ্দেশ্যঃ একই/ অভিন্ন) [ ধারা ১৪১ ]

চৌদ্দ (১৪) বছরের কম বয়স্ক ছেলেকে তার অভিভাবকের সম্মতি ছাড়া অন্যত্র নিয়ে যাওয়া অপহরণ বলে বিবেচিত হবে। [ ধারা ৩৬০ ]

ষোল (১৬) বছরের কম বয়স্ক মেয়েকে তার অভিভাবকের সম্মতি ছাড়া অন্যত্র নিয়ে যাওয়া অপহরণ বলে বিবেচিত হবে। [ ধারা ৩৬০ ]

 দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ৩৭৫ ধারায় ধর্ষণের উপাদানঃ ৫টি [ ধারা ৩৭৫ ]

 সম্মতিসহ বা ব্যতিত ১৪ বছরের কম বয়স্ক মেয়ের সাথে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করা ধর্ষণ হিসাবে গণ্য হবে। [ ধারা ৩৭৫ ]

 কোন পুরুষ কর্তৃক নিজের স্ত্রীর সাথে যৌন সহবাস ধর্ষণ বলে গণ্য হবে না যদি না স্ত্রীর বয়স ১৩ বছরের কম হয়। [ ধারা ৩৭৫ ]

 দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ৪৬৪ ধারায় মিথ্যা দলিল তৈরী করার উপাদানঃ ৩টি [ ধারা ৪৬৪ ]

 মৃত্যুদণ্ডের বিধান বর্ণিতঃ ১০ টি ধারায়



এক নজরে মনে রাখার সুবিধার্থে গুরুত্বপূর্ণ ধারাসমূহের তথ্যদিঃ

সাধারণ অভিপ্রায়ঃ                      ধারা ৩৪

➽ শাস্তির প্রকারভেদঃ                    ধারা ৫৩

➽ মৃত্যুদন্ড হ্রাসকরণ : যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হ্রাসকরণঃ     ধারা (৫৪ : ৫৫)

➽ রাষ্ট্রপতির বিশেষ অধিকারঃ     ধারা ৫৫ক

➽ দণ্ডের মেয়াদসমূহের ভগ্নাংশঃ     ধারা ৫৭

➽ কারাদন্ড সশ্রম বা বিনাশ্রম হইতে পারেঃ     ধারা    ৬০

➽ অর্থদণ্ডের পরিমান : অনাদায়ে কারাদণ্ড : শুধুমাত্র অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইলেঃ     ধারা (৬৩ : ৬৪ : ৬৭)

➽ নির্জন কারাবাস : সীমাঃ     ধারা (৭৩ : ৭৪)

 ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অধিকার : শরীর ও সম্পত্তির প্রতিরক্ষার অধিকারঃ     ধারা (৯৬ : ৯৭)

➽ অপ্রকৃতিস্থ ইত্যাদি ব্যক্তির কার্যের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত আত্নরক্ষার অধিকারঃ     ধারা ৯৮
➽ আত্মরক্ষার ব্যতিক্রমঃ     ধারা ৯৯
➽ যে সকলক্ষেত্রে দেহের প্রতিরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করতে গিয়ে মৃত্যু পর্যন্ত ঘটানো যায়ঃ     ধারা ১০০

➽ অপরাধে সহায়তাঃ     ধারা ১০৭
➽ দুষ্কর্মে সহায়তাঃ     ধারা ১০৮

 প্ররোচনার শাস্তিঃ     ধারা ১০৯

➽ অপরাধ্মুলক ষড়যন্ত্রের সংজ্ঞা : শাস্তিঃ     ধারা (১২০ক : ১২০খ)

➽ রাষ্ট্রদ্রোহিতাঃ     ধারা ১২৪ক

➽ বেআইনি সমাবেশ : শাস্তিঃ     ধারা (১৪১ : ১৪৩)

➽ দাঙ্গা : শাস্তিঃ     ধারা (১৪৬ : ১৪৭)

➽ সাধারণ উদ্দেশ্যঃ     ধারা ১৪৯

➽ মারামারি : শাস্তিঃ     ধারা (১৫৯ : ১৬০)

➽ মিথ্যা সাক্ষ্যদান : মিথ্যা সাক্ষ্য সৃষ্টি করাঃ     ধারা (১৯১ : ১৯২)

➽ নিন্দনীয় নরহত্যা : শাস্তিঃ     ধারা (২৯৯ : ৩০৪)

➽ খুন : শাস্তি : যাবজ্জীবন দণ্ডিত ব্যক্তি কর্তৃক খুনের শাস্তিঃ     ধারা (৩০০ : ৩০২ : ৩০৩)

➽ অবহেলার কারণে মৃত্যুর শাস্তিঃ     ধারা ৩০৪ক
➽ বেপরোয়া যান চালানোর মাধ্যমে মৃত্যু ঘটানোর শাস্তিঃ     ধারা ৩০৪খ

➽ আত্মহত্যায় সহায়তার শাস্তিঃ     ধারা ৩০৬
➽ খুনের চেষ্টার শাস্তিঃ     ধারা ৩০৭
➽ আত্মহত্যা চেষ্টার শাস্তিঃ     ধারা ৩০৯

➽ আঘাত : গুরুতর আঘাত (৮টি) : আঘাতের শাস্তি : গুরুতর আঘাতের শাস্তিঃ     ধারা (৩১৯ : ৩২০ : ৩২৩ : ৩২৬)

➽ অবৈধ বাধা : শাস্তিঃ         ধারা (৩৩৯ : ৩৪১)

➽ অবৈধ আটক : শাস্তিঃ     ধারা (৩৪০ : ৩৪২)

➽ অপহরণ : বাংলাদেশ থেকে : আইনানুগ অভিভাবক হতে : আপবাহন : মানুষ অপহরনের শাস্তিঃ     ধারা (৩৫৯ : ৩৬০ : ৩৬১ : ৩৬২ : ৩৬৩)

➽ ধর্ষণ : শাস্তিঃ     ধারা (৩৭৫ : ৩৭৬)

➽ চুরি : শাস্তি : বাসগৃহ হইতে চুরি : কেরানি বা চাকর কর্তৃক চুরিঃ     ধারা (৩৭৮ : ৩৭৯ : ৩৮০ : ৩৮১)

➽ বলপূর্বক গ্রহণ : শাস্তিঃ     ধারা (৩৮৩ : ৩৮৪)

➽ দস্যুতা : শাস্তিঃ     ধারা (৩৯০ : ৩৯২)

➽ ডাকাতি : শাস্তি : খুনসহ ডাকাতির শাস্তিঃ        ধারা (৩৯১ : ৩৯৫ : ৩৯৬)

➽ অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎঃ                          ধারা ৪০৩

➽ অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ : শাস্তিঃ                     ধারা (৪০৫ : ৪০৬)

➽ প্রতারণা : শাস্তিঃ         ধারা (৪১৫ : ৪১৭)

➽ অনিষ্ঠঃ                         ধারা ৪২৫

➽ অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশঃ                 ধারা ৪৪১

➽ জালিয়াতি : মিথ্যা দলিল প্রণয়ন : শাস্তিঃ    ধারা (৪৬৩ : ৪৬৪ : ৪৬৫)

➽ মানহানি (defamation) : শাস্তিঃ                      ধারা (৪৯৯ : ৫০০)

 

➲ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর বিভিন্ন অপরাধের ধারাসমূহঃ

Hamim LAW Academy

Hamim LAW Academy

Online School of Law, Bangladesh. Online Law Learning Platform.

Post A Comment:

0 comments: