দণ্ডবিধি, ১৮৬০ (The Penal Code, 1860)
দ্বিতীয় অধ্যায় (Chapter- II)
সাধারণ ব্যাখ্যাসমূহ
[ ধারা (৬-৫২ক) ]
⏩ ধারা ১৭ : সরকার
বাংলাদেশ বা এর কোন অংশে কার্যনির্বাহী সরকার পরিচালনা করার জন্য আইন অনুযায়ী ক্ষমতাপ্রদত্ত ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গকে বুঝায়।
⏩ ধারা ১৯ : জজ
দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ২(৮) ও দন্ডবিধির ১৯ ধারায় জজ এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
⏩ ধারা ২০ : বিচারালয়
ব্যক্তিগতভাবে বিচারকরূপে কাজ করার জন্য আইনবলে....
⏩ ধারা ২১ : সরকারী কর্মচারী
⏩ ধারা ২২ : অস্থাবর সম্পত্তি
ভূমি ও ভূমির সাথে সংযুক্ত কিংবা ভূমির সাথে সংযুক্ত এরূপ কোন কিছুর সঙ্গে স্থায়ীভাবে আবদ্ধ বস্তু ব্যতিরেকে, প্রত্যেক বর্ণনার পার্থিব বা বাস্তব সম্পত্তি বুঝায়।
⏩ ধারা ২৩ : অবৈধ লাভ
বৈআইনীভাবে এমন সম্পত্তি লাভ করা, যে সম্পত্তিতে লাভকারীর কোন আইনানুগ অধিকার নেই।
অবৈধ ক্ষতি
বেআইনীভাবে এমন সম্পত্তির ক্ষতি, যাতে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তির আইনগত অধিকার রয়েছে।
⏩ ধারা ২৪ : অসাধুভাবে
কোন ব্যক্তি এক ব্যক্তির অবৈধ লাভ বা অপর কোন ব্যক্তির ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে কোন কিছু করলে উক্ত ব্যক্তি ঐ কাজ অসাধুভাবে করে বলে গণ্য করা হবে।
⏩ ধারা ২৮ : নকল করা
কোন ব্যক্তি, একটি বস্তুকে দেখতে অন্য কোন বস্তুর সাদৃশ করিয়ে অনুরূপ...........
⏩ ধারা ২৯ : দলিল
যার উপর অক্ষর, সংখ্যা বা চিহ্ন দ্বারা কিংবা অনুরূপ একাধিক উপায়ে প্রকাশিত বা বর্ণিত বিষয়টির সাক্ষ্য বা প্রমাণ হিসাবে উক্ত জিনিস প্রস্তুত করা হয় কিংবা প্রমাণরূপে উক্ত জিনিস ব্যবহৃত হতে পারে।
⏩ ধারা ৩০ : মূল্যবান জামানত
এরূপ একটি দলিল বুঝায়, যা হচ্ছে বা যার তাৎপর্য হচ্ছে যে, উক্ত দলিল বলে কোন আইনানুগ অধিকার প্রতিষ্ঠিত, সম্প্রসারিত, হস্তান্তরিত, সীমিত, বিলুপ্তি বা মুক্ত করা হয় অথবা যার দ্বারা কোন ব্যক্তি এ মর্মে স্বীকার করেন যে, তিনি কোন আই্নগত দায়িত্বের অধীনে রয়েছেন বা তার কোন বিশেষ আইনানুগ অধিকার নেই।
⏩ ধারা ৩৩ : 'কার্য', 'বিচ্যুতি'
'কার্য' শব্দ দ্বারা একক কার্য হিসাবে কার্যসমূহের শ্রেণীকেও বুঝাবে;
'বিচ্যুতি' শব্দ দ্বারা একক বিচ্যুতি হিসাবে বিচ্যুতিসমূহের শ্রেণীকেও বুঝাবে।
⏩ ধারা ৩৪ : সাধারণ অভিপ্রায় [ ব্যতিক্রমঃ ধারা ৩৮ ]
দুই বা ততোধিক ব্যক্তি সাধারণ (অভিন্ন) উদ্দেশ্যে কোন অপরাধমূলক কার্য সম্পাদন করলে প্রত্যেকে দায়ী হবে।
Ø উপাদানঃ
- দুই বা
ততোধিক ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা।
- অভিন্ন
উদ্দেশ্য
- পূর্ব
পরিকল্পনা এবং
- অপরাধটি অবশ্যই সংঘটিত হতে হবে।
Ø সদস্যা সংখ্যাঃ দুই (২) বা ততোধিক ব্যক্তি।
⏩ ধারা ৩৫ : অপরাধজনক জ্ঞান এবং অভিপ্রায়ে অপরাধ
যখন একের অধিক কোন ব্যক্তি কোন কাজ অপরাধজনক জ্ঞান বা অভিপ্রায় নিয়ে সম্পাদন করে তখন তারা যৌথভাবে দায়ী হবে। জ্ঞানের ভিন্নতার জন্য শাস্তি হবে ভিন্ন ভিন্ন।
⏩ ধারা ৩৭ : কতিপয় কার্যের একটি সম্পাদনের মাধ্যমে অপরাধে সহযোগিতা
অপরাধমূলক কতিপয় কার্যের একটি করলেও প্রত্যেকে সমান শাস্তি পাবে।
⏩ ধারা ৩৮ : অপরাধমূলক কাজে জড়িত ব্যক্তিগণ বিভিন্ন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হন [ ব্যতিক্রমঃ ধারা ৩৪ ]
অভিপ্রায়ের ভিন্নতায় জন্য শাস্তি হবে ভিন্ন ভিন্ন।
⏩ ধারা ৪০ : অপরাধ
যে কাজ করলে বা না করলে দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী শাস্তির বিধান আছে বা আইনে যে কাজ করতে বলা হয়েছে সেই কাজ না করা আর যে কাজ করতে নিষেধ করা হয়েছে সেই কাজ করা।
⏩ ধারা ৪৯ : 'বৎসর', 'মাস'
যেখানে 'বৎসর' কথাটি বা 'মাস' কথাটি ব্যবহার করা হয়েছে, সেখানে বুঝতে হবে যে, উক্ত বছর বা মাস বৃটিশ ক্যালেন্ডার অণুসারে গণনা করা হয়েছে।
⏩ ধারা ৫০ : ধারা
'ধারা' শব্দে এ বিধির যে কোন অধ্যায়ের অংশসমূহের এক একটিকে বুঝাবে, যা পূর্বে সংযুক্ত সংখ্যাবাচক অংকসমূহের সাহায্যে স্বাতন্ত্র্য করা হয়েছে।
⏩ ধারা ৫২ : সদবিশ্বাস
যথাযথ সতর্কতা এবং মনোযোগ সহকারে কোন কাজ করা হলে সেই কাজ সদবিশ্বাসে করা হয়েছে বলে গণ্য হবে।

Post A Comment:
0 comments: