The Bangladesh Legal Practitioner's and Bar Council Order, 1972
বাংলাদেশ বার কাউন্সিল একটি সংবিধিবদ্ধ স্বায়ত্বশাসিত সংস্থা। এটা রাষ্ট্রপতির ৪৬নং আদেশ।আলোচ্য আইনের প্রেক্ষাপটঃ
এটি মূলত সর্বপ্রথম ১৮৭৯ সালে ভারতীয় উপমহাদেশে আইনজীবীদের নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে প্রণীত হয়। বর্তমান বার কাউন্সিল আইনের ধারাবাহিক প্রেক্ষাপটঃ
- সর্বপ্রথম প্রণীত হয় ১৮৭৯ সালেঃ The Legal Practitioners Act 1879 ( Act No 18 of 1879 )
- পরবর্তীতে প্রণীত হয় ১৯২৬ সালেঃ The Indian Bar Council Act 1926
- ভারত বিভক্তির পর প্রণীত হয় ১৯৬৫ সালেঃ Legal Practitioners and Bar Council Act 1965
- স্বাধীন বাংলাদেশে প্রণীত হয় ১৯৭২ সালেঃ The Legal Practitioners and Bar Council Order 1972
তথ্যকণিকাঃ
আইনের নামঃ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972
আইনের ধরণঃ মূল ও পদ্ধতিগত আইনের সংমিশ্রণ।আইন নংঃ ১৯৭২ সালের ৪৬ নং আইন।
রাষ্ট্রপতি আদেশ নংঃ ৪৬নং
আদেশ (Order)
- আদেশের নামঃ The Legal Practitioners and Bar Council Order 1972
- প্রণয়নের ক্ষমতাঃ প্রণয়ন ও সংশোধন করতে পারে জাতীয় সংসদ।
- প্রকাশিত হয়ঃ ১৮ মে, ১৯৭২ সালে।
- মোট আদেশ (অনুচ্ছেদ) এর সংখ্যাঃ ৪৬ টি।
বিধি (Rules)
- বিধির নামঃ The Legal Practitioners and Bar Council Rules 1972
- প্রণয়নের ক্ষমতাঃ সরকারের পূর্ব অনুমতিক্রমে প্রণয়ন ও সংশোধন করতে পারে বার কাউন্সিল।
- প্রকাশিত হয়ঃ ২২ মে, ১৯৭২ সালে।
- মোট বিধির সংখ্যাঃ ১০১ টি।
অবস্থা
বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের অঙ্গ সংগঠনঃ
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর অধীন ৩ শ্রেণীর প্রতিষ্ঠান রয়েছে। যথাঃ
১. বাংলাদেশ বার কাউন্সিল (Bangladesh Bar Council) [অনুচ্ছেদ ৩]
সংজ্ঞাঃ ‘বার কাউন্সিল’ অর্থ অত্র আদেশের অধীনে গঠিত বাংলাদেশ বার কাউন্সিল। [অনুচ্ছেদ ২(খ)]
২. বার সমিতি (Bar Association)
৩. বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল (Bar Council Tribunal) [অনুচ্ছেদ ৩৩]
নিম্নে উপরিউক্ত তিনটি প্রতিষ্ঠানের উপর বিস্তারিত আলোচনা করা হলোঃ
১. বাংলাদেশ বার কাউন্সিল (Bangladesh Bar Council)
↣ অনুচ্ছেদ ৩ :
গঠনঃ রাষ্ট্রপতির ৪৬নং আদেশ দ্বারা।
সংবিধিবদ্ধ/ স্বাধীন/ স্বায়ত্তশাসিত/ স্বশাসিত সংস্থা।
↣ অনুচ্ছেদ ৩(২) : সাধারন সিলমোহর থাকবে। স্থাবর ও অস্থাবর উভয় প্রকার সম্পত্তি অর্জন এবং ধারণ ক্ষমতা ও চুক্তির পক্ষ হওয়ার ক্ষমতা থাকবে এবং উক্ত নামে মোকদ্দমা করতে পারবে এবং এর বিরুদ্ধে মামলা করা যাবে।
↣ অনুচ্ছেদ ৮ (বার কাউন্সিলের নির্বাচন) : ৩১ মে বা তার পূর্বে।
↣ অনুচ্ছেদ ১০ (বার কাউন্সিলের কার্যাবলী) : ১১টি।
↣ অনুচ্ছেদ ১২ (বার কাউন্সিলের সাময়িক শূন্যতা পূরণ) : উক্ত ব্যক্তির পরবর্তী যে ব্যক্তি সর্বাধিক ভোট পেয়েছিলেন।
↣ অনুচ্ছেদ ১৩ : বার কাউন্সিলের তহবিল গঠনঃ
↣ অনুচ্ছেদ ১৮ : বার কাউন্সিলের সদস্যদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে না।
২. বার সমিতি (Bar Association)
↣ অনুচ্ছেদ ৩৯ : বার কাউন্সিল সরকারের অনুমতি ব্যতিরেকে যেকোন বার সমিতি স্বীকৃতি দিতে পারে।
↣ অনুচ্ছেদ ২(খখ) : বার সমিতি ২ ধরণের। যথাঃ
- সুপ্রীম কোর্ট বার সমিতি (Supreme Court Bar Association)
- স্থানীয় বার সমিতি (Local Bar Association)
↣ অনুচ্ছেদ ২(চ) [স্থানীয় বার সমিতি] : সুপ্রীম কোর্ট ব্যতীত জেলা পর্যায়ের যেকোন বার সমিতি।
৩. বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল (Bar Council Tribunal)
↦ অনুচ্ছেদ ৩৩ : গঠনঃ অনুচ্ছেদ ২(ঝ)
↦ অনুচ্ছেদ ৩৩(১) : বার কাউন্সিল এক বা একাধিক বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে পারে।
↦ অনুচ্ছেদ ৩৩ : অ্যাটর্নী জেনারেল ট্রাইব্যুনালের সদস্য নন।
↦ অনুচ্ছেদ ৩৪ : ট্রাইব্যুনালের ক্ষমতা ও কার্যাবলী।
আপডেট চলছে.......
পেশাগত আচরণ ও শিষ্টাচার
(Canons of Professional Conduct and Etiquette)
এ সংক্রান্ত অধ্যায়ঃ ৪ টি এবং বিধিঃ ৪২ টি
০১. প্রথম অধ্যায়ঃ আইনজীবীদের পারস্পরিক আচরণ
(Conduct with Regards to other Advocates)
[ বিধি ১১ টি ]
০২. দ্বিতীয় অধ্যায়ঃ মক্কেলের প্রতি আচরণ
(Conduct with Regard to Clients)
[ বিধি ১৪ টি ]
০৩. তৃতীয় অধ্যায়ঃ আদালতের প্রতি দায়িত্ববোধ
(Duty to the Court)
[ বিধি ৯ টি ]
০৪. চতুর্থ অধ্যায়ঃ জনসাধারণের প্রতি আইনজীবীদের আচরণ
(Conduct with Regard to the Public Generally)
[ বিধি ৮ টি ]

0 comments: