Articles by "দণ্ডবিধি"
দণ্ডবিধি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Online School of Law, Bangladesh. Online Law Learning Platform.

দণ্ডবিধি, ১৮৬০ (The Penal Code, 1860)

তৃতীয় অধ্যায় (Chapter- III)

দণ্ড সম্পর্কিত

[ ধারা (৫৩-৭৫) ]


⇛ ধারা ৫৩ : দণ্ডসমূহ

                            দণ্ডসমূহঃ পাঁচ (০৫) প্রকার। যথাঃ

                            ০১. মৃত্যুদণ্ড (Death sentence) [ সর্বোচ্চ শাস্তি/ দণ্ড; ধারা ৩০৩ ]

                            ০২. যাবজ্জীবন কারাবাস (Imprisonment for Life) [ সর্বোচ্চ কারাবাস- ২০ বৎসর; ধারা ৫৫]

                            ০৩. কারাবাস (Imprisonment), যা হতে পারেঃ

                                      ক) সশ্রম (Rigorous) বা,

                                      খ) বিনাশ্রম (Simple) [ সর্বনিম্ন কারাবাস- ২৪ ঘন্টা পর্যন্ত; ধারা ৫১০ ]

                            ০৪. সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত (Forfeiture of Property) [ ধারাঃ ১২৬, ১২৭, এবং ১৬৯ ]

                            ০৫. অর্থদণ্ড বা জরিমানা (Fine) [ সর্বনিম্ন অর্থদণ্ড ১০ টাকা; ধারা ৫১০ ]




                                    বিঃ দ্রঃ

                              যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের ক্ষেত্রে কারাবাস সর্বদাই সশ্রম (Rigorous) হবে।

                              অন্যান্য ক্ষেত্রে কারাবাস সশ্রম বা বিনাশ্রম হতে পারে।

                           - দণ্ডবিধির অধীনে বেত্রাঘাত (Whipping) এবং যাবজ্জীবন দীপান্তর (Transportation for Life) অননুমোদিত সাজা।


⇛ ধারা ৫৪ : মৃত্যুদণ্ড হ্রাসকরণ

                        সরকার অপরাধীর সম্মতি ছাড়াই মৃত্যুদণ্ড হ্রাস করে অন্য যেকোন দণ্ডে রূপান্তরিত করতে পারেন।


⇛ ধারা ৫৫ : যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হ্রাসকরণ

                        সরকার অপরাধীর সম্মতি ছাড়াই যাবজ্জীবন কারাদণ্ডকে যে কোন বর্ণনার অনূর্ধ্ব ২০ বৎসর মেয়াদী সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দন্ডিত করতে পারেন।


⇛ ধারা ৫৫ক : রাষ্ট্রপতির বিশেষ অধিকার সংরক্ষণ

                              ধারা ৫৪ অথবা ধারা ৫৫ এর কোন কিছুই রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শন, দণ্ড লাঘব, দণ্ড বিলম্বন বা দণ্ড মওকুফকরণের অধিকার খর্ব করবে না।


⇛ ধারা ৫৭ : দণ্ডের মেয়াদসমূহের ভগ্নাংশসমূহ

                           যাবজ্জীবন কারাবাসকে ত্রিশ (৩০) বছর মেয়াদী কারাবাস সমতুল্য বলে গণনা করা হবে।


⇛ ধারা ৬০ : কারাবাস হতে পারেঃ সম্পূর্ণভাবে বা আংশিকভাবে সশ্রম বা বিনাশ্রম

                          যেকোন বর্ণনার কারাবাসের ক্ষেত্রে, কারাবাস সম্পূর্ণরূপে অথবা আংশিকভাবে সশ্রম বা বিনাশ্রম হতে পারে।

Online School of Law, Bangladesh. Online Law Learning Platform.

দণ্ডবিধি, ১৮৬০ (The Penal Code, 1860)

দ্বিতীয় অধ্যায় (Chapter- II)

সাধারণ ব্যাখ্যাসমূহ

[ ধারা (৬-৫২ক) ]

⏩ ধারা ১৭ : সরকার

                        বাংলাদেশ বা এর কোন অংশে কার্যনির্বাহী সরকার পরিচালনা করার জন্য আইন অনুযায়ী ক্ষমতাপ্রদত্ত ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গকে বুঝায়।


⏩ ধারা ১৯ : জজ

                        দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ২(৮) ও দন্ডবিধির ১৯ ধারায় জজ এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।


⏩ ধারা ২০ : বিচারালয়

                        ব্যক্তিগতভাবে বিচারকরূপে কাজ করার জন্য আইনবলে....


⏩ ধারা ২১ : সরকারী কর্মচারী

                           


⏩ ধারা ২২ : অস্থাবর সম্পত্তি

                            ভূমি ও ভূমির সাথে সংযুক্ত কিংবা ভূমির সাথে সংযুক্ত এরূপ কোন কিছুর সঙ্গে স্থায়ীভাবে আবদ্ধ বস্তু ব্যতিরেকে, প্রত্যেক বর্ণনার পার্থিব বা বাস্তব সম্পত্তি বুঝায়।


⏩ ধারা ২৩ : অবৈধ লাভ

                           বৈআইনীভাবে এমন সম্পত্তি লাভ করা, যে সম্পত্তিতে লাভকারীর কোন আইনানুগ অধিকার নেই।


                        অবৈধ ক্ষতি

                            বেআইনীভাবে এমন সম্পত্তির ক্ষতি, যাতে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তির আইনগত অধিকার রয়েছে।


⏩ ধারা ২৪ : অসাধুভাবে

                           কোন ব্যক্তি এক ব্যক্তির অবৈধ লাভ বা অপর কোন ব্যক্তির ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে কোন কিছু করলে উক্ত ব্যক্তি ঐ কাজ অসাধুভাবে করে বলে গণ্য করা হবে।


⏩ ধারা ২৮ : নকল করা

                             কোন ব্যক্তি, একটি বস্তুকে দেখতে অন্য কোন বস্তুর সাদৃশ করিয়ে অনুরূপ...........




⏩ ধারা ২৯ : দলিল

                           যার উপর অক্ষর, সংখ্যা বা চিহ্ন দ্বারা কিংবা অনুরূপ একাধিক উপায়ে প্রকাশিত বা বর্ণিত বিষয়টির সাক্ষ্য বা প্রমাণ হিসাবে উক্ত জিনিস প্রস্তুত করা হয় কিংবা প্রমাণরূপে উক্ত জিনিস ব্যবহৃত হতে পারে।


⏩ ধারা ৩০ : মূল্যবান জামানত

                            এরূপ একটি দলিল বুঝায়, যা হচ্ছে বা যার তাৎপর্য হচ্ছে যে, উক্ত দলিল বলে কোন আইনানুগ অধিকার প্রতিষ্ঠিত, সম্প্রসারিত, হস্তান্তরিত, সীমিত, বিলুপ্তি বা মুক্ত করা হয় অথবা যার দ্বারা কোন ব্যক্তি এ মর্মে স্বীকার করেন যে, তিনি কোন আই্নগত দায়িত্বের অধীনে রয়েছেন বা তার কোন বিশেষ আইনানুগ অধিকার নেই।


⏩ ধারা ৩৩ : 'কার্য', 'বিচ্যুতি'

                            'কার্য' শব্দ দ্বারা একক কার্য হিসাবে কার্যসমূহের শ্রেণীকেও বুঝাবে; 

                            'বিচ্যুতি' শব্দ দ্বারা একক বিচ্যুতি হিসাবে বিচ্যুতিসমূহের শ্রেণীকেও বুঝাবে।


⏩ ধারা ৩৪ : সাধারণ অভিপ্রায় [ ব্যতিক্রমঃ ধারা ৩৮ ]

                            দুই বা ততোধিক ব্যক্তি সাধারণ (অভিন্ন) উদ্দেশ্যে কোন অপরাধমূলক কার্য সম্পাদন করলে প্রত্যেকে দায়ী হবে।

Ø  উপাদানঃ

- দুই বা ততোধিক ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা।

- অভিন্ন উদ্দেশ্য

- পূর্ব পরিকল্পনা এবং

- অপরাধটি অবশ্যই সংঘটিত হতে হবে।

Ø  সদস্যা সংখ্যাঃ দুই (২) বা ততোধিক ব্যক্তি।


⏩ ধারা ৩৫ : অপরাধজনক জ্ঞান এবং অভিপ্রায়ে অপরাধ

                            যখন একের অধিক কোন ব্যক্তি কোন কাজ অপরাধজনক জ্ঞান বা অভিপ্রায় নিয়ে সম্পাদন করে তখন তারা যৌথভাবে দায়ী হবে। জ্ঞানের ভিন্নতার জন্য শাস্তি হবে ভিন্ন ভিন্ন।   


⏩ ধারা ৩৭ : কতিপয় কার্যের একটি সম্পাদনের মাধ্যমে অপরাধে সহযোগিতা

                            অপরাধমূলক কতিপয় কার্যের একটি করলেও প্রত্যেকে সমান শাস্তি পাবে।


⏩ ধারা ৩৮ : অপরাধমূলক কাজে জড়িত ব্যক্তিগণ বিভিন্ন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হন [ ব্যতিক্রমঃ ধারা ৩৪ ]

                            অভিপ্রায়ের ভিন্নতায় জন্য শাস্তি হবে ভিন্ন ভিন্ন।       


⏩ ধারা ৪০ : অপরাধ

                            যে কাজ করলে বা না করলে দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী শাস্তির বিধান আছে বা আইনে যে কাজ করতে বলা হয়েছে সেই কাজ না করা আর যে কাজ করতে নিষেধ করা হয়েছে সেই কাজ করা।

                

⏩ ধারা ৪৯ : 'বৎসর', 'মাস'

                            যেখানে 'বৎসর' কথাটি বা 'মাস' কথাটি ব্যবহার করা হয়েছে, সেখানে বুঝতে হবে যে, উক্ত বছর বা মাস বৃটিশ ক্যালেন্ডার অণুসারে গণনা করা হয়েছে।


⏩ ধারা ৫০ : ধারা

                            'ধারা' শব্দে এ বিধির যে কোন অধ্যায়ের অংশসমূহের এক একটিকে বুঝাবে, যা পূর্বে সংযুক্ত সংখ্যাবাচক অংকসমূহের সাহায্যে স্বাতন্ত্র্য করা হয়েছে।


⏩ ধারা ৫২ : সদবিশ্বাস

                            যথাযথ সতর্কতা এবং মনোযোগ সহকারে কোন কাজ করা হলে সেই কাজ সদবিশ্বাসে করা হয়েছে বলে গণ্য হবে।

Online School of Law, Bangladesh. Online Law Learning Platform.

দণ্ডবিধি, ১৮৬০ (The Penal Code, 1860)

প্রথম অধ্যায় (Chapter- I)

সূচনা

[ ধারা (১-৪) ]


⇛ ধারা ১ : শিরোনাম এবং কার্যকারিতার সীমা

                    এ আইন 'দণ্ডবিধি' নামে অভিহিত হবে এবং এটা সমগ্র বাংলাদেশে কার্যকর হবে।

                

    [ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ বাংলাদেশের সর্বত্র প্রযোজ্য হবে। ]


⇛ ধারা ২ : বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সংঘটিত অপরাধসমূহের শাস্তি

                    বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কোন ব্যক্তি অপরাধ করলে তার বিচার দণ্ডবিধি অনুযায়ী বাংলাদেশের ফৌজদারী আদালতে করা যাবে। 


⇛ ধারা ৩ : বাংলাদেশের বহির্ভাগে সংঘটিত কিন্তু আইনবলে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বিচারযোগ্য অপরাধসমূহের শাস্তি

                    বাংলাদেশের বাহিরে সংঘটিত কিন্তু বাংলাদেশের আইন অনুসারে তা বিচারযোগ্য এই ধরনের অপরাধের বিচার করার এখতিয়ার বাংলাদেশের ফৌজদারী আদালতের বয়েছে। 


⇛ ধারা ৪ : বিদেশে সংঘটিত অপরাধের জন্য বিধিটির আওতার সম্প্রসারণঃ

                    কোন বিদেশী নাগরিক বাংলাদেশের সীমানার মধ্যে কোন অপরাধমূলক কার্য সংঘটিত করলে অথবা বাংলাদেশে নিবন্ধনকৃত কোন বিমানে বা জাহাজে কোন অপরাধ সংঘটিত করলে দণ্ডবিধি অনুযায়ী বাংলাদেশেের ফৌজদারী আদালতে তার বিচার হবে।


দ্বিতীয় অধ্যায় । দণ্ডবিধি, ১৮৬০


                    দণ্ডবিধির ধারা ৪ এর বিচারিক ক্ষেত্র ০২ (দুই) টি। যথাঃ

                    (ক) বাংলাদেশে সংঘটিত কোন বাংলাদেশীর কৃত অপরাধের বিচার; যদি তাকে বাংলাদেশে পাওয়া যায়।

                    (খ) বাংলাদেশের বাহিরে কোন জাহাজ/ বিমানে যেকোন নাগরিকের (বাংলাদেশী/ বিদেশী) কৃত অপরাধের বিচার; যদি তাকে বাংলাদেশে পাওয়া যায়।

                    উদাহরণঃ যুক্তরাজ্যে বসবাসকারী X একজন বাংলাদেশী নাগরিক। সে উগান্ডায় এক ব্যক্তিকে হত্যা করে। বাংলাদেশের যোগ্যতা সম্পন্ন কোন আদালতে X কে বিচার করিতে পারে, তাহাকে পাওয়া যায় বাংলাদেশে। 

                                        বাংলাদেশী নাগরিক 'ক' যুক্তরাজ্যে একটি খুন করে। 'ক'- এর বিচার বাংলাদেশে করা যাবে এবং খুনের দণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে।

                    বিঃ দ্রঃ বাংলাদেশের বাহিরে সংঘটিত অপরাধের বিচার বাংলাদেশে করা যাবে। ( ধারা ১৮৮, ফৌজদারী কার্যবিধি)


তথ্যকণিকাঃ

⏩ ফৌজদারী অপরাধে অভিযুক্ত করার প্রাথমিক শর্ত ২ (দুই) টি। যথাঃ

(ক) অপরাধী মন (Mens Rea)

(খ) দোষাবহ/ অপরাধজনক কার্য (Actus Reus)

অর্থঃ Mens Rea ল্যাটিন শব্দ; যার ইংরেজি অর্থ Guilty Mind (অপরাধী মন)। অন্যদিকে Actus Reus অর্থ দোষাবহ/ অপরাধজনক কার্য। 


Actus non facit reum nisi mens sit rea


ল্যাটিন ম্যাক্সিমঃ Actus non facit reum nisi mens sit rea; অর্থঃ অভিপ্রায় এবং কর্ম উভয়ের সংযোগে অপরাধের সৃষ্টি হয় (Intent and act together will constitute a crime)/ যতক্ষণ পর্যন্ত না অপরাধী মন নিয়ে কোন কার্য সম্পাদন করা হয় তা কোনো অপরাধ সৃষ্টি করেনা (The Act doesn't constitute guilt unless done with a guilty intention)


⏩ দণ্ডবিধিতে Mens Rea নির্দেশকঃ Guilty Mind

Online School of Law, Bangladesh. Online Law Learning Platform.

দণ্ডবিধি, ১৮৬০ (The Penal Code, 1860)

দণ্ডবিধির গুরুত্বপূর্ণ সংজ্ঞাসমূহ

১. জজ ⇛ ( ধারা ১৯) : যিনি কোন দেওয়ানী বা ফৌজদারী আইনগত কার্যক্রমে আইনত চূড়ান্ত রায় প্রদান করার জন্য ক্ষমতাপ্রাপ্ত; কিংবা যদি আপীল না হয় তার রায় চূড়ান্ত হবে এমন রায় প্রদান করার জন্য ক্ষমতাপ্রাপ্ত; কিংবা তার তার রায় অন্য কোন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বহাল হলে চূড়ান্ত হবে এমন কোন রায় প্রদান করার জন্য ক্ষমতাপ্রাপ্ত; কিংবা যিনি এমন কোন ব্যক্তি সমষ্টির অন্যতম, যে ব্যক্তি সমষ্টি অনুরূপ কোন রায় প্রদান করার জন্য আইনত ক্ষমতাপ্রাপ্ত।


 ২. বিচারালয় ⇛ (ধারা ২০) : ব্যক্তিগতভাবে বিচারকরূপে কাজ করার জন্য আইনবলে ক্ষমতাবপ্রদত্ত বিচারক বা সমষ্টগতভাবে বিচারকরূপে কাজ করার জন্য আইনবলে ক্ষমতাপ্রদত্ত বিচারকমণ্ডলীকে অনুরূপ বিচারক বা বিচারকমণ্ডলী হিসাবে কার্য সম্পাদনকালে বুঝাবে।


৩. সরকারি কর্মচারী ⇛ (ধারা ২১) : 

  •  বাংলাদেশের সামরিক, নৌ বা বিমানবাহিনী সমূহের প্রত্যেক কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তা;
  • প্রত্যেক জজ, যার মধ্যে সে ব্যক্তি, যিনি একাকী বা কোন ব্যক্তি সমষ্টির একজন সদস্যরূপে বিচারকার্য করার নিমিত্তে আইনবলে ক্ষমতাপ্রাপ্ত, অন্তর্ভুক্ত হবে;
  • বিচারালয়ের এমন প্রত্যেক পদস্থ কর্মচারী যার কর্তব্য হচ্ছে, অনুরূপ পদস্থ কর্মচারী হিসাবে আইন বা তথ্য সম্পর্কিত যে কোন বিষয়ের ব্যাপারে তদন্ত করা বা প্রতিবেদন প্রদান করা বা যে কোন দলিল প্রণয়ন, প্রমাণীকৃত বা সংরক্ষণ করা কিংবা যে কোন সম্পত্তির দায়িত্ব গ্রহণ করা বা তা বিলি বন্টন করা অথবা যে কোন বিচার বিভাগীয় পরোয়ানা কার্যকরী করা বা তা যে কোন শপথ কার্য পরিচালনা করা বা ব্যাখ্যা দান করা বা আদালতে শৃঙ্খলা রক্ষা করা এবং অনুরূপ কর্তব্যাবলী সম্পাদন করার নিমিত্তে কোন বিচারালয় কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্র্রদত্ত প্রত্যেক ব্যক্তি;
  • কোন বিচারালয় অথবা সরকারী কর্মচারীকে সহায়তা দানকারী প্রত্যেক জুরী, এ্যাসেসর বা পঞ্চায়েতের সদস্য;
  • এরূপ প্রত্যেক মধ্যস্থতাকারী কিংবা অপর কোন ব্যক্তি, কোন বিচারালয় বা অন্য কোন ক্ষমতা সম্পন্ন সরকারী কর্তৃপক্ষ কর্তৃক যার নিকট কোন সমস্যা বা বিষয় সিদ্ধান্ত অথবা প্রতিবেদনের জন্য পাঠানো হয়েছে;
  • যে পদাধিকার বলে কোন ব্যক্তি বিশেষ কাউকে আটক করতে বা রাখতে পারেন অনুরূপ পদে সমাসীন প্রত্যেক ব্যক্তি;
  • সরকারের এরূপ প্রতিটি পদস্থ কর্মচারী অনুরূপ পদস্থ কর্মচারী হিবাবে যার কর্তব্য হচ্ছে, অপরাধসমূহ নির্ধারণ করা, অপরাধসমূহ সম্পর্কে তথ্যাদি সরবরাহ করা, অপরাধীদের বিচারের ব্যবস্থা করা বা জনসাধারণের স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা বা সুযোগ-সুবিধা সংরক্ষণ করা;
  • এমন প্রত্যেক পদস্থ কর্মচারী, অনুরূপ পদস্থ কর্মচারী হিসাবে যার কর্তব্য হচ্ছে, সরকারের পক্ষে যে কোন সম্পত্তি নেয়া, গ্রহণ করা, রক্ষা করা বা ব্যবহার করা অথবা সরকারের পক্ষে যে কোন জরীপ কাজ, নিরূপন কাজ বা চুক্তি সম্পাদন করা অথবা যে কোন রাজস্ব প্রক্রিয়া কার্যকর করা বা সরকারের অর্থনৈতিক স্বার্থসমূহ খর্বকারী যে কোন বিষয়াবলী সম্পর্কে তদন্ত করা বা প্রতিবেদন দেয়া বা সরকারের অর্থনৈতিক স্বার্থ সম্পর্কিত যে কোন দলিল প্রস্ত্ততকরণ, প্রমাণীকৃত কিংবা রক্ষণ করা বা সরকারের অর্থনৈতিক স্বার্থসমূহ রক্ষা করার জন্য যে কোন আইন লঙ্গন রোধ করা।
  • এম প্রত্যেক পদস্থ কর্মচারী, অনুরূপ পদস্থ কর্মচারীরূপে যার কর্তব্য হচ্ছে, যে কোন গ্রাম, শহর বা জেলার যে কোন লোকায়ত সাধারণ উদ্দেশ্যে যে কোন সম্পত্তি গ্রহণ করা, নেয়া, রক্ষণ করা বা ব্যয় করা, যে কোন জরীপকার্য বা নিরূপণ কার্য সম্পন্ন করা অথবা যে কোন অভিকর বা কর ধার্যকৃত করা বা যে কোন গ্রাম, শহর বা জেলার জনগণের স্বত্বসমূহ নির্ধারণের উদ্দেশ্যে যে কোন দলিল প্রস্ত্তত করা, প্রমাণীকৃত করা কিংবা রক্ষণ করা।
  • কোন পদে অধিষ্ঠিত এমন প্রত্যেক ব্যক্তি যাকে উক্ত পদাধিকারবলে কোন ভোটার তালিকা প্রস্ত্তত, প্রকাশ, সংরক্ষণ বা সংশোধন করার অথবা কোন নির্বাচন বা নির্বাচনের অংশবিশেষ পরিচালনার জন্য ক্ষমতাপ্রাপ্ত হয়;
  • প্রত্যেক ব্যক্তি যিনি- (ক) কোন সরকারী চাকুরীতে নিযুক্ত বা বেতনভোগী বা কোন সরকারী কর্তব্য কাজ সম্পাদন বাবদ ফিস বা কমিশনের মাধ্যমে পারিশ্রমিক গ্রহণকারী। (খ) কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষ কর্পোরেশনের আইনের দ্বারা অথবা আইনের অধীন স্থাপিত সংস্থা বা কর্তৃপক্ষ বা ফার্ম বা কোম্পানি, যার মূলধন বা অংশে সরকারের অধিকার রয়েছে বা স্বত্ত্ব বর্তেছে। 


৪. অস্থাবর সম্পত্তি ⇛ ২২

৫. অবৈধ লাভ ⇛ ২৩

৬. অসাধুভাবে ⇛ ২৪

৭. প্রতারণামূলকভাবে ⇛ ২৫

৮. নকল করা ⇛ ২৮

৯. দলিল ⇛ ২৯

১০. মূল্যবান জামানত ⇛ ৩০


১১. কার্য, বিচ্যুতি ⇛ ৩৩

১২. অপরাধ ⇛ ৪০

১৩. ক্ষতি ⇛ ৪৪

১৪. জীবন ⇛ ৪৫

১৫. প্রাণী ⇛ ৪৭

১৬. জাহাজ ⇛ ৪৮

১৭. বৎসর, মাস ⇛ ৪৯

১৮. ধারা ⇛ ৫০

১৯. সদ বিশ্বাস ⇛ ৫২

২০. অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র ⇛ ১২০(ক)

দন্ডবিধি, ১৮৬০ অনুযায়ী বিভিন্ন অপরাধ সংঘটনের সদস্য সংখ্যা

২১. বেআইনি সমাবেশ ⇛ ১৪১

২২. দাঙ্গা ⇛ ১৪৬

২৩. মারামারি ⇛ ১৫৯

২৪. মিথ্যা ⇛ ১৯১

২৫. মূদ্রা ⇛ ২৩০

২৬. অপরাধমূলক নরহত্যা ⇛ ২৯৯

২৭. খুন ⇛ ৩০০

২৮. ঠগ ⇛ ৩১০

২৯. আঘাত ⇛ ৩১৯

৩০. গুরুতর আঘাত ⇛ ৩২০


৩১. অবৈধ বাধা ⇛ ৩৩৯

৩২. অবৈধ আটক ⇛ ৩৪০

৩৩. আক্রমণ ⇛ ৩৫১

৩৪. অপহরণ ⇛ ৩৫৯

৩৫. অপবাহন ⇛ ৩৬২

৩৬. ধর্ষণ ⇛ ৩৭৫

৩৭. চুরি ⇛ ৩৭৮

৩৮. বলপ্রয়োগ ⇛ ৩৮৩

৩৯. দস্যুতা ⇛ ৩৯০

৪০. ডাকাতি ⇛ ৩৯১


Definitions Penal Code


৪১. অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ ⇛ ৪০৩

৪২. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ ⇛ ৪০৬

৪৩. চোরাইমাল ⇛ ৪১০

৪৪. প্রতারণা ⇛ ৪১৫

৪৫. অনিষ্ট ⇛ ৪২৫

৪৬. অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ ⇛ ৪৪১

৪৭. জালিয়াতি ⇛ ৪৬২

৪৮. জাল দলিল ⇛ ৪৭০

৪৯. মানহানি ⇛ (ধারা ৪৯৯) : যদি কোন ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট করার উদ্দেশ্য বা তার খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট হবে মর্মে অবগত হওয়ার পরও বা তার বিশ্বাস করার যৌক্তিক কারণ থাকার পরও কথিত বা পাঠের জন্য অভিপ্রেত শব্দাবলী বা চিহ্ণাদি বা দৃশ্যমান কল্পমূর্তির সাহায্যে ঐ ব্যক্তি সম্পর্কিত কোন ঘটনা আরোপ করে বা প্রকাশ করে, তাহলে সে ব্যক্তি নিম্নে নির্দেশিত ব্যতিক্রমসমূহ অন্যান্য ক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তির মানহানি করে বা করেছে মর্মে পরিগণিত হবে।

  • ব্যাখ্যা ১ : কোন কিছুর জন্য কোন মৃত ব্যক্তির নিন্দা করা তার মানহানির সামিল হতে পারেএ, যদি উক্ত নিন্দাবাদ এরূপ হয় যে, এটা তার জীবদ্দশায় তার মানহানিকর হত এবং এটা তার পরিবার ও অন্যান্য নিকট আত্মীয়দের অনুভূতিতে আঘাত করার জন্য অভিপ্রেত হয়।
  • ব্যাখ্যা ২ : কোন কোম্পানি বা সমিতি বা অনুরূপ ব্যক্তি সমাবেশ সম্বন্ধে কোন নিন্দাবাদ করা মানহানির সামিল হতে পারে।
  • ব্যাখ্যা ৩ : বিকল্পের আকারে শ্লেষাত্মকভাবে প্রকাশিত নিন্দাবাদ মানহানি সামিল হতে পারে।
  • ব্যাখ্যা ৪ : কোন নিন্দাবাদই কোন ব্যক্তি সুনাম নষ্ট করেছে মর্মে পরিগণিত হবে না, যদি না উক্ত নিন্দাবাদ অন্যান্য লোকের ধারণার প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে উক্ত ব্যক্তি নৈতিক বা বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পর্কিত গুণাবলী অবনমিত করে অথবা উক্ত ব্যক্তির বর্ণ বা পেশা সম্পর্কিত গুণাবলী অবনমিত করে বা উক্ত ব্যক্তির প্রসিদ্ধি নষ্ট করে অথবা এরূপ বিশ্বাস করার কারণ জন্মায় যে, উক্ত ব্যক্তির দেহ ঘৃণাজনক বা এরূপ কোন অবস্থায় রয়েছে যা সাধারণত অরুচির বলে বিবেচনা করা যায়।
Online School of Law, Bangladesh. Online Law Learning Platform.

দণ্ডবিধি, ১৮৬০

(The Penal Code,1860)

⭆ দণ্ডবিধিতে ধারাঃ ৫১১ টি। (মূল দণ্ডবিধিতে ধারা ছিলঃ ৪৮৮টি।)
⭆ অধ্যায়ঃ ২৩টি।

সম্পূর্ণ আইনঃ দণ্ডবিধি, ১৮৬৯ (The Penal Code, 1860)

অধ্যায় ভিত্তিক গুরুত্বপূর্ণ ধারাসমূহ | দণ্ডবিধি, ১৮৬০ 


প্রথম অধ্যায় [ ধারা (১ - ৫) ]
সূচনা
(Preamble)
 
ধারাঃ 2, 3, 4***


দ্বিতীয় অধ্যায় [ ধারা (৬ - ৫২ক) ]
সাধারণ ব্যাখ্যাসমূহ
(General Explanation)
 
ধারাঃ 17, 19*, 21, 22, 29*


তৃতীয় অধ্যায় [ ধারা (৫৩ - ৭৫) ]
সাজা প্রসঙ্গে
(Of Punishments)
 
ধারাঃ 34***, 35*, 37*, 38*, 40*, 53***, 53A**, 54***, 55**, 55A***, 57***, 60*, 63**, 64, 65**, 66*, 67***, 68, 69**, 70***, 73*, 74*


চতুর্থ অধ্যায় [ ধারা (৭৬ - ১০৬) ]
সাধারণ বাতিক্রমগুলো
(General Exceptions)
 
ধারাঃ 76*, 77, 82***, 83, 84, 85, 87*, 88*, 92*, 93***, 95*, 96, 99**, 100***, 101*, 102*, 103***, 105**, 106*


পঞ্চম অধ্যায় [ ধারা (১০৭ - ১২০) ]
অপরাধের সহায়তা প্রসঙ্গে
(Of Abetment)
 
ধারাঃ 107*, 108*, 108A, 109***, 111


পঞ্চম-ক অধ্যায় [ ধারা (১২০ক - ১২০খ) ]
অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র
(Criminal Conspiracy)
 
ধারাঃ 120A**, 120B**


ষষ্ঠ অধ্যায় [ ধারা (১২১ - ১৩০) ]
রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ প্রসঙ্গে
(Of offences against the state)
 
ধারাঃ 121*, 121A*


সপ্তম অধ্যায় [ ধারা (১৩১ - ১৪০) ]
সেনা, নৌ এবং বিমানবাহিনী সম্পর্কিত অপরাধসমূহ প্রসঙ্গে
(Of offences relating to the Army, NAVY and AIR Force)
---------------

অষ্টম অধ্যায় [ ধারা (১৪১ - ১৬০) ]
সর্বসাধারণের শান্তি পরিপন্থী অপরাধসমূহ সম্পর্কিত
(Of offences against the public tranquility)
 
ধারাঃ 141***, 143, 146, 147*, 149***, 159*, 160*


নবম অধ্যায় [ ধারা (১৬১- ১৭১) ]
সরকারী কর্মচারী কর্তৃক বা সরকারী কর্মচারীগণ সম্পর্কিত অপরাধসমূহ প্রসঙ্গে
(Of offences by or relating to public servants)
 
ধারাঃ 161, 162, 163, 164, 170


নবম-ক অধ্যায় [ ধারা (১৭১ক - ১৭১ঝ) ]
নির্বাচন সম্পর্কিত অপরাধসমূহ প্রসঙ্গে
(Of offences relating to elections)
---------


দশম অধ্যায় [ ধারা (১৭২-১৯০) ]
সরকারী কর্মচারীগণের আইনানুগ ক্ষমতা অবমাননা প্রসঙ্গে
(Of contempts of the lawful authority of public servants)
 
ধারাঃ 172, 174, 178, 188


Penal Code
দণ্ডবিধি, ১৮৬০


একাদশ অধ্যায় [ ধারা (১৯১ - ২২৯) ]
মিথ্যা সাক্ষ্য ও গণ-বিচারের বিরুদ্ধে অপরাধ প্রসঙ্গে
(Of false evidence and offences against public justice)
 
ধারাঃ 191***, 192***, 193***, 194***, 195, 196*, 197*, 201***, 209,  211***, 212*


দ্বাদশ অধ্যায় [ ধারা (২৩০ - ২৬৩ক) ]
মুদ্রা ও সরকারী স্ট্যাম্প সংক্রান্ত অপরাধসমূহ সম্পর্কিত
(Of offences relating to coin and government stamps)
 
ধারাঃ 231, 232**, 255**, 259*


এয়োদশ অধ্যায় [ ধারা (২৬৪ - ২৬৭) ]
ওজন ও মাপকাঠি সংক্রান্ত অপরাধ সম্পর্কে
(Of offences relating to weights and measures)
------------

চতুর্দশ অধ্যায় [ ধারা (২৬৮ - ২৯৪খ) ]
জনস্বাস্থ্য, নিরাপত্তা, সুবিধা, শালীনতা ও নৈতিকতা সংক্রান্ত অপরাধ সম্পর্কিত
(Of offences affecting the public health, safety, convenience, decency and morals)
 
ধারাঃ 268**, 272*


পঞ্চদশ অধ্যায় [ ধারা (২৯৫ - ২৯৮) ]
ধর্ম সংক্রান্ত অপরাধসমূহ সম্পর্কিত
(Of offences relating to religion)


ষোড়শ অধ্যায় [ ধারা (২৯৯ - ৩৭৭) ]
মানবদেহ সংক্রান্ত অপরাধসমূহ সম্পর্কিত
(Of offences affecting the human body)
 
ধারাঃ 299***, 300***, 301***, 302***, 303***, 304***, 304A, 304B, 305***, 306***, 307***, 308***, 309***, 310***, 311***, 312, 313*, 319***, 320***, 323***, 324***, 325***, 326, 326A***, 329**, 331*, 332*, 338***, 339***, 340***, 341***, 342***, 349*, 350**, 351**, 353, 354***, 359***, 360***, 361***, 362***, 363***, 364, 364A***, 375***, 376*, 377*


সপ্তদশ অধ্যায় [ ধারা (৩৭৮ -৪৬২খ) ]
সম্পত্তির বিরুদ্ধে অপরাধসমূহ সম্পর্কিত
(Of offences against property)
 
ধারাঃ 378***, 379***, 380***, 381***, 382***, 383**, 384**, 390***, 391***, 392***, 393***, 394***, 395***, 396***, 400**, 403**, 404***, 405***, 406***, 407***, 408***, 409***, 410***, 411***, 412***, 413***, 415***, 416***, 417***, 418***, 419***, 420***, 425**, 426**, 427**, 441***, 442***, 443***, 444***, 445***, 446***, 447***


অষ্টাদশ অধ্যায় [ ধারা (৪৬৩ - ৪৮৯উ) ]
দলিলাদি এবং ব্যবসায় বা সম্পত্তি চিহ্ন সংক্রান্ত অপরাধসমূহ সম্পর্কিত
(Of offences relating to documents and to trade or property marks)
 
ধারাঃ 463***, 464***,465***, 466***, 467***


ঊনিশতম অধ্যায় [ ধারা (৪৯০ - ৪৯২) ]
অপরাধমূলকভাবে চাকরি-চুক্তিসমূহের ভঙ্গকরণ সম্পর্কিত
(Of the criminal breach of contracts of services)



বিশতম অধ্যায় [ ধারা (৪৯৩ - ৪৯৮) ]
বিবাহ সংক্রান্ত অপরাধসমূহ সম্পর্কিত
(Of offences relating to marriage)
 
ধারাঃ 493*, 494*, 497**


একুশতম অধ্যায় [ ধারা (৪৯৯ - ৫০২) ]
মানহানি সম্পর্কিত
(Of Defamation)
ধারাঃ 499***, 500**, 501*


বাইশতম অধ্যায় [ ধারা (৫০৩ - ৫১০) ]
অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন, অপমান, অনিষ্টকর কার্য ও বিরক্তিকরণ সম্পর্কিত
(Of criminal intimidation, insult prejudicial act and annoyance)
 
ধারাঃ 503*, 506***, 507*, 509*, 510***


তেইশতম অধ্যায় [ ধারা ৫১১ ]
অপরাধসমূহ সংঘটনের উদ্যোগ সম্পর্কিত
(Of attempts commit offences)
 
ধারাঃ 511***
Online School of Law, Bangladesh. Online Law Learning Platform.
দণ্ডবিধি, ১৮৬০ (The Penal Code,1860)
(১৮৬০ সালের ৪৫নং আইন)

তথ্যকণিকা

➲ ভারতীয় উপমহাদেশে সর্বপ্রথম আইন কমিশন গঠনঃ ১৮৩৪ সালে।
প্রথম আইন কমিশনের ---
  • চেয়ারম্যানঃ থমাস ব্যাবিংটন ম্যাকুলে (Loard Macaulay)
  •  কমিশনারঃ G.W. Anderson , F. Millet এবং J.M. Macleod
➲ আইন কমিশন কর্তৃক দণ্ডবিধি প্রণয়নের খসড়া জমাঃ ১৮৩৭ সালে।
প্রথম পাশঃ ৬ অক্টোবর, ১৮৬০
কার্যকরঃ ১ জানুয়ারী, ১৮৬২
সর্বশেষ সংশোধনঃ ২০০৪ সালে। [ ধারা ৮২ এবং ধারা ৮৩ ]

⇛ আইনের ধরণঃ মূল আইন/ তত্ত্বগত আইন (Substantive Law)
⇛ আইন নং: ১৮৬০ সালের ৪৫নং আইন।
⇛ দণ্ডবিধিতে ধারাঃ ৫১১ টি। [ মূল দণ্ডবিধিতে ধারা ছিলঃ ৪৮৮টি। ]
⇛ অধ্যায়ঃ ২৩টি।

ফৌজদারী অপরাধের অভিযুক্ত করার প্রাথমিক শর্তসমূহঃ
  1. অপরাধী মন (ল্যাটিনঃ Mens Rea, ইংরেজিঃ Guilty Mind) এবং
  2. দোষাবহ কার্য বা অপরাধজনক কার্য (Actus Reus)
    বিঃ দ্রঃ Actus Reus এবং Mens Rea ল্যাটিন ম্যাক্সিম Actus non facit reum nisi mens sit rea নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত।

দণ্ডবিধি ১৮৬০
দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর তথ্যকণিকা

⇒ দণ্ডবিধির কার্যকর সীমানাঃ সমগ্র বাংলাদেশ [ ধারা ১ ]

⇒ দণ্ডবিধি যাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্যঃ 
  • বাংলাদেশে ভিতরে অবস্থানরত বাংলাদেশী নাগরিক [ ধারা ২ ]
  • বাংলাদেশের বহির্ভাগে অবস্থানরত বাংলাদেশী নাগরিক [ ধারা ৩ ]
  • বাংলাদেশে নিবন্ধনকৃত কোন জাহাজ বা বিমানে অবস্থানরত যে কোন ব্যক্তি [ ধারা ৪ ]

⏭ শাস্তির প্রকারভেদঃ ধারা ৫৩

        দণ্ডসমূহঃ পাঁচ (০৫) প্রকার। যথাঃ

        ১. মৃত্যুদণ্ড (Death sentence) :    [ সর্বোচ্চ শাস্তি/ দণ্ড; ধারা ৩০৩ ]

        ২. যাবজ্জীবন কারাবাস (Imprisonment for Life) :    [ সর্বোচ্চ কারাবাস- ২০ বছর ]

        ৩. কারাবাস (Imprisonment), যা হতে পারেঃ
            ক) সশ্রম (Rigorous) বা, খ) বিনাশ্রম (Simple) :    [ ধারা ৫৩ ]

        ৪. সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত (Forfeiture of Property) :    [ধারাঃ ১২৬, ১২৭, এবং ১৬৯]

        ৫. অর্থদণ্ড বা জরিমানা (Fine) :    [ সর্বনিম্ন অর্থদণ্ড ১০ টাকা। (ধারা ৫১০) ]

      বিঃ দ্রঃ
  • যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের ক্ষেত্রে কারাবাস সর্বদাই সশ্রম (Rigorous) হবে। (যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পূর্বনামঃ দীপান্তর; ধারা ৫৩ক ]
  • অন্যান্য ক্ষেত্রে কারাবাস সশ্রম বা বিনাশ্রম হতে পারে।
  • দণ্ডবিধির অধীনে বেত্রাঘাত (Whipping) এবং যাবজ্জীবন দীপান্তর (Transportation for Life) অননুমোদিত সাজা।
  • শাস্তিঃ ৫ (পাঁচ) প্রকার [ ধারা ৫৩ ]
  • সর্বোচ্চ শাস্তিঃ মৃত্যুদণ্ড  [ধারা ৩০৩ ] ( ১০টি ধারায় মৃত্যুদণ্ডের বিধান রয়েছে। )
  • সর্বনিম্ন কারাবাসঃ ২৪ ঘন্টা পর্যন্ত [ ধারা ৫১০ ]
  • সর্বোচ্চ কারাবাসঃ ২০ বছর
  • সর্বনিম্ন জরিমানাঃ ১০ টাকা [ ধারা ৫১০ ] 
  • মৃত্যুদণ্ডের বিধান বর্ণিতঃ ১০ টি ধারায়
  • যাবজ্জীবন কারাবাসের বিধান বর্ণিতঃ ৫৫টি ধারায়
  • বিনাশ্রম কারাবাসের বিধান বর্ণিতঃ ১৯টি ধারায়
  • সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত (Forfeiture of Property) : ৩টি ধারায়   [ধারাঃ ১২৬, ১২৭, এবং ১৬৯]
  • অর্থদণ্ডের বিধান বর্ণিতঃ ১১টি ধারায়
  • দণ্ডবিধির সর্বশেষ (শাস্তির) ধারাঃ ৫১১

➲ অপরাধ সম্পর্কিত আলোচনাঃ
  • অপরাধ প্রধানতঃ তিন (০৩) প্রকার।
  • অপরাধের উপাদানঃ ৪ (চার) টি।
  • দণ্ডবিধিতে ধর্মীয় ও নেতিক অপরাধের জন্য শাস্তির বিধান নেই।
  • আমলে দিক বিবেচনায় অপরাধ দুই (০২) প্রকারযথাঃ ক) আমোযোগ্য ও খ) আমল অযোগ্য
  • জামিনের দিক বিবেচনায় অপরাধ দুই (০২) প্রকারযথাঃ ক) জামিনযোগ্য ও জামিন অযোগ্য
  • আপোষের দিক বিবেচনায় অপরাধ তিন (০৩) প্রকার। যথাঃ ক) আপোষযোগ্য, আপোষ অযোগ্য এবং গ) আদালতের অনুমতিক্রমে আপোষযোগ্য।

যাবজ্জীবন কারাবাসসহ অর্থদণ্ড অনাদায়ে কারাবাসের মেয়াদঃ
    যাবজ্জীবন কারাবাসকে ৩০ বছর ধরতে হবে। এবং ৩০ বছরের ১/৪ অংশই হবে নির্ণেয় সর্বোচ্চ শাস্তি।
    [ সমন্বয়ঃ (ধারা ৫৭ + ধারা ৬৫) প্রযোজ্য ]
     
    অর্থ্যাৎ ৩০ × ১/৪ = ৭.৫ বছর।
     
    সুতরাং যাবজ্জীবন কারাবাসসহ অর্থদণ্ড অনাদায়ে কারাবাসের সর্বোচ্চ মেয়াদ হবেঃ ৭ বছর ৬ মাস।

    ধারা ৬৫ (কারাবাসসহ অর্থদণ্ড অনাদায়ে কারাবাসের মেয়াদ): 
    উক্ত অপরাধের নির্ধারিত সর্বোচ্চ কারাবাসের ১/৪ অংশের বেশি হবে না।

ধারা ৬৭ (শুধুমাত্র অর্থদণ্ড অনাদায়ে কারাবাসের মেয়াদ):
    শুধুমাত্র অর্থদণ্ড অনাদায়ে নিম্নবর্ণিতহারে বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দন্ডিত করা হয়। যথাঃ
  • অনধিক ৫০ টাকাঃ ২ মাস।
  • অনধিক ১০০ টাকাঃ ৪ মাস।
  • ১০০ টাকার অধিকঃ ৬ মাস।
    সুতরাং শুধুমাত্র অর্থদণ্ড অনাদায়ে সর্বোচ্চ কারাবাসঃ ৬ মাস।


➲ ধারা ৭৩ (নির্জন কারাবাস):
    প্রযোজ্য ক্ষেত্রঃ সশ্রম কারাদণ্ডে আদালত এ আদেশ দিতে পারেন। (সর্বোচ্চ ৩ মাস)

নির্জন কারাবাস


➲ ধারা ৭৪ (নির্জন কারাবাসের সীমা):
  • নির্জন কারাবাস এককালীন ১৪ দিনের বেশি হবে না।
  • আরোপিত কারাবাসের মেয়াদ ৩ মাসের বেশি হলে নির্জন কারাবাস কোন মাসে ৭ দিনের বেশি হবে না।
  • নির্জন কারাবাসে পূর্বে ও পরে বিরাম থাকবে অথ্যাৎ বিরতিহীন হবে না


⇒ দণ্ডবিধিতে ১২ ধরণের সরকারী কর্মচারীর কথা বলা হয়েছে। [ ধারা ২১ ]

⇛ সাধারণ অভিপ্রায়ের উপাদানঃ ৩ (তিন) টি [ ধারা ৩৪ ]

 যাবজ্জীবন দ্বীপান্তরঃ যাবজ্জীবন কারাবাসকে বুঝাবে। [ ১৯৮৫ সালের ৪১নং আইন দ্বারা প্রতিস্থাপিত ] [ ধারা ৫৩ ]

 যাবজ্জীবন কারাবাসঃ দণ্ডিত ব্যক্তির স্বাভাবিক জীবনের অবশিষ্ট জীবনব্যাপী (Imprisonment for life) সশ্রম কারাবাস। [ ধারা ৫৩ ]

 যাবজ্জীবন কারাবাস সর্বদাই সশ্রম (Rigorous) হবে। [ ধারা ৫৩ ]

 বর্তমানে দণ্ডবিধিতে যাবজ্জীবন দীপান্তর (Transportation for Life)  অননুমোদিত সাজা

 স্বল্প মেয়াদের দ্বীপান্তরের উল্লেখ থাকলে তা রদ হবে। [ ধারা ৫৩ ]

 সরকার অপরাধীর সম্মতি ছাড়াই মৃত্যুদণ্ড হ্রাস করে অন্য যেকোন দণ্ডে রূপান্তরিত করতে পারেন। [ ধারা ৫৪ ]

সরকার অপরাধীর সম্মতি ছাড়াই যাবজ্জীবন কারাবাস হ্রাস করে অনধিক কারাবাস দিতে পারেঃ ২০ বছর [ ধারা ৫৫ ]

⇛ রাষ্ট্রপতির বিশেষ অধিকার সংরক্ষিতঃ ৫৫ক ধারায়
 
শাস্তির মেয়াদের ভগ্নাংশ হিসেবে যাবজ্জীবন কারাবাস গণ্য হবেঃ ৩০ বছর [ ধারা ৫৭ ]
  
⇛ যেকোন বর্ণনার কারাবাসের ক্ষেত্রেঃ কারাবাস সম্পূর্ণরূপে অথবা আংশিকভাবে সশ্রম বা বিনাশ্রম হতে পারে। [ ধারা ৬০ ]

⇛ অর্থদণ্ডের পরিমাণ উল্লেখ না থাকলে, সীমা থাকবে না, তবে এটা অতিরিক্ত হবে না। [ ধারা ৬৩ ]

অর্থদণ্ড অনাদায়ে কারাবাসঃ সর্বোচ্চ কারাবাসের ১/৪ অংশ [ ধারা ৬৫ ]
 
 
যাবজ্জীবন কারাবাসসহ অর্থদণ্ড অনাদায়ে কারাবাসের সর্বোচ্চ মেয়াদ হবেঃ ৭ বছর ৬ মাস। [ ধারা ৬৫ ]

 
শুধুমাত্র অর্থদণ্ড অনাদায়ে সর্বোচ্চ কারাবাসঃ ৬ মাস। [ ধারা ৬৭ ]
 
 
অর্থদণ্ড আদায়যোগ্য (দণ্ডাজ্ঞা প্রদানের পরবর্তী): ৬ বছরের মধ্যে [ ধারা ৭০ ]

⏩ ৬ বছরের অধিক কারাদণ্ডের ক্ষেত্রে অর্থদণ্ড আদায়যোগ্যঃ উক্ত মেয়াদ সমাপ্তির পূর্বে যেকোন সময় [ ধারা ৭০ ]

⇛ দণ্ডবিধিতে সাধারণ ব্যতিক্রমসমূহের (General Exceptions) বিষয় উল্লেখিত আছেঃ ৪র্থ অধ্যায়ে

৯ (নয়) বছরের কম বয়স্ক শিশুর কার্য অপরাধ না। [ ধারা ৮২]


⏩ অপরাধ হিসেবে গণ্য হতে পারে আবার নাও পারেঃ ৯ বছরের বেশি কিন্তু ১২ বছরের কম শিশুর কার্য। [ ধারা ৮৩ ]

⏩ আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগের সীমাঃ ৫টি ক্ষেত্রে [ ধারা ৯৯ ]

⏩ ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অধিকার রক্ষায় মৃত্যু ঘটানো যায়ঃ ৬টি ক্ষেত্রে [ ধারা ১০০ ]

⏩ সম্পত্তি প্রতিরক্ষার অধিকার রক্ষায় মৃত্যু ঘটানো যায়ঃ ৪টি ক্ষেত্রে [ ধারা ১০৩ ]

অপসহায়তা (Abetment) হতে পারেঃ ৩ টি উপায়ে।  [ ধারা ১০৭ ]
    যথাঃ ক) প্ররোচণা, খ) ষড়যন্ত্র, এবং গ) সহায়তা

⇛ অপসহায়তার সর্বনিম্ন সদস্য সংখ্যাঃ ১ জন।  [ ধারা ১০৭ ]

⇛  অপসহায়তার সংজ্ঞা রয়েছেঃ ১০৮ ধারায়।   [ ধারা ১০৮ ]

⇛  ১০৮ ধারায় ব্যাখ্যা রয়েছেঃ ৮ টি।   [ ধারা ১০৮ ]

⇛ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর প্রথম শাস্তি ধারাঃ ১০৯ ধারা   [ ধারা ১০৯ ]

নরহত্যাঃ দুই (০২) প্রকার। যথাঃ ক) শাস্তিযোগ্য, খ) শাস্তিঅযোগ্য

⇛ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ৩০০ ধারায় ব্যাতিক্রম (খুনের) আছেঃ ৫টি [ ধারা ৩০০ ]

⇛ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ৩০০ ধারায় খুনের উপাদানঃ ৪টি [ ধারা ৩০০ ]

⇛ নিন্দনীয় নরহত্যায় প্রযোজ্য বয়সঃ ১৮ বছরের অধিক [ ধারা ৩০০ ]

⇛ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তি কর্তৃক সংঘটিত খুনের সর্বনিম্ন শাস্তিঃ মৃত্যুদণ্ড [ একমাত্র শাস্তি; ধারা ৩০৩ ]

⇛ মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়ঃ ফাঁসিতে ঝুলিয়ে [ ফৌঃ কাঃ ধারা ৩৬১(১) ]

⇛ আঘাতের উপাদানঃ ৩টি। [ ধারা ৩১৯ ]
     যথাঃ ক) ব্যাথা, খ) ব্যাধি, গ) বৈকল্য

আট (০৮) শ্রেণির আঘাতকে গুরুতর আঘাত বলে গণ্য করা হয়েছে। [ ধারা ৩২০ ]

 মারাত্মক জখম এর জন্য নির্ধারিত সময়ঃ ২০ দিন [ ধারা ৩২০ ]

 বেআইনী সমাবেশের সদস্য সংখ্যাঃ ৫ (পাঁচ) বা ততোধিক (প্রত্যেকের উদ্দেশ্যঃ একই/ অভিন্ন) [ ধারা ১৪১ ]

চৌদ্দ (১৪) বছরের কম বয়স্ক ছেলেকে তার অভিভাবকের সম্মতি ছাড়া অন্যত্র নিয়ে যাওয়া অপহরণ বলে বিবেচিত হবে। [ ধারা ৩৬০ ]

ষোল (১৬) বছরের কম বয়স্ক মেয়েকে তার অভিভাবকের সম্মতি ছাড়া অন্যত্র নিয়ে যাওয়া অপহরণ বলে বিবেচিত হবে। [ ধারা ৩৬০ ]

 দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ৩৭৫ ধারায় ধর্ষণের উপাদানঃ ৫টি [ ধারা ৩৭৫ ]

 সম্মতিসহ বা ব্যতিত ১৪ বছরের কম বয়স্ক মেয়ের সাথে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করা ধর্ষণ হিসাবে গণ্য হবে। [ ধারা ৩৭৫ ]

 কোন পুরুষ কর্তৃক নিজের স্ত্রীর সাথে যৌন সহবাস ধর্ষণ বলে গণ্য হবে না যদি না স্ত্রীর বয়স ১৩ বছরের কম হয়। [ ধারা ৩৭৫ ]

 দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ৪৬৪ ধারায় মিথ্যা দলিল তৈরী করার উপাদানঃ ৩টি [ ধারা ৪৬৪ ]

 মৃত্যুদণ্ডের বিধান বর্ণিতঃ ১০ টি ধারায়



এক নজরে মনে রাখার সুবিধার্থে গুরুত্বপূর্ণ ধারাসমূহের তথ্যদিঃ

সাধারণ অভিপ্রায়ঃ                      ধারা ৩৪

➽ শাস্তির প্রকারভেদঃ                    ধারা ৫৩

➽ মৃত্যুদন্ড হ্রাসকরণ : যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হ্রাসকরণঃ     ধারা (৫৪ : ৫৫)

➽ রাষ্ট্রপতির বিশেষ অধিকারঃ     ধারা ৫৫ক

➽ দণ্ডের মেয়াদসমূহের ভগ্নাংশঃ     ধারা ৫৭

➽ কারাদন্ড সশ্রম বা বিনাশ্রম হইতে পারেঃ     ধারা    ৬০

➽ অর্থদণ্ডের পরিমান : অনাদায়ে কারাদণ্ড : শুধুমাত্র অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইলেঃ     ধারা (৬৩ : ৬৪ : ৬৭)

➽ নির্জন কারাবাস : সীমাঃ     ধারা (৭৩ : ৭৪)

 ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অধিকার : শরীর ও সম্পত্তির প্রতিরক্ষার অধিকারঃ     ধারা (৯৬ : ৯৭)

➽ অপ্রকৃতিস্থ ইত্যাদি ব্যক্তির কার্যের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত আত্নরক্ষার অধিকারঃ     ধারা ৯৮
➽ আত্মরক্ষার ব্যতিক্রমঃ     ধারা ৯৯
➽ যে সকলক্ষেত্রে দেহের প্রতিরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করতে গিয়ে মৃত্যু পর্যন্ত ঘটানো যায়ঃ     ধারা ১০০

➽ অপরাধে সহায়তাঃ     ধারা ১০৭
➽ দুষ্কর্মে সহায়তাঃ     ধারা ১০৮

 প্ররোচনার শাস্তিঃ     ধারা ১০৯

➽ অপরাধ্মুলক ষড়যন্ত্রের সংজ্ঞা : শাস্তিঃ     ধারা (১২০ক : ১২০খ)

➽ রাষ্ট্রদ্রোহিতাঃ     ধারা ১২৪ক

➽ বেআইনি সমাবেশ : শাস্তিঃ     ধারা (১৪১ : ১৪৩)

➽ দাঙ্গা : শাস্তিঃ     ধারা (১৪৬ : ১৪৭)

➽ সাধারণ উদ্দেশ্যঃ     ধারা ১৪৯

➽ মারামারি : শাস্তিঃ     ধারা (১৫৯ : ১৬০)

➽ মিথ্যা সাক্ষ্যদান : মিথ্যা সাক্ষ্য সৃষ্টি করাঃ     ধারা (১৯১ : ১৯২)

➽ নিন্দনীয় নরহত্যা : শাস্তিঃ     ধারা (২৯৯ : ৩০৪)

➽ খুন : শাস্তি : যাবজ্জীবন দণ্ডিত ব্যক্তি কর্তৃক খুনের শাস্তিঃ     ধারা (৩০০ : ৩০২ : ৩০৩)

➽ অবহেলার কারণে মৃত্যুর শাস্তিঃ     ধারা ৩০৪ক
➽ বেপরোয়া যান চালানোর মাধ্যমে মৃত্যু ঘটানোর শাস্তিঃ     ধারা ৩০৪খ

➽ আত্মহত্যায় সহায়তার শাস্তিঃ     ধারা ৩০৬
➽ খুনের চেষ্টার শাস্তিঃ     ধারা ৩০৭
➽ আত্মহত্যা চেষ্টার শাস্তিঃ     ধারা ৩০৯

➽ আঘাত : গুরুতর আঘাত (৮টি) : আঘাতের শাস্তি : গুরুতর আঘাতের শাস্তিঃ     ধারা (৩১৯ : ৩২০ : ৩২৩ : ৩২৬)

➽ অবৈধ বাধা : শাস্তিঃ         ধারা (৩৩৯ : ৩৪১)

➽ অবৈধ আটক : শাস্তিঃ     ধারা (৩৪০ : ৩৪২)

➽ অপহরণ : বাংলাদেশ থেকে : আইনানুগ অভিভাবক হতে : আপবাহন : মানুষ অপহরনের শাস্তিঃ     ধারা (৩৫৯ : ৩৬০ : ৩৬১ : ৩৬২ : ৩৬৩)

➽ ধর্ষণ : শাস্তিঃ     ধারা (৩৭৫ : ৩৭৬)

➽ চুরি : শাস্তি : বাসগৃহ হইতে চুরি : কেরানি বা চাকর কর্তৃক চুরিঃ     ধারা (৩৭৮ : ৩৭৯ : ৩৮০ : ৩৮১)

➽ বলপূর্বক গ্রহণ : শাস্তিঃ     ধারা (৩৮৩ : ৩৮৪)

➽ দস্যুতা : শাস্তিঃ     ধারা (৩৯০ : ৩৯২)

➽ ডাকাতি : শাস্তি : খুনসহ ডাকাতির শাস্তিঃ        ধারা (৩৯১ : ৩৯৫ : ৩৯৬)

➽ অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎঃ                          ধারা ৪০৩

➽ অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ : শাস্তিঃ                     ধারা (৪০৫ : ৪০৬)

➽ প্রতারণা : শাস্তিঃ         ধারা (৪১৫ : ৪১৭)

➽ অনিষ্ঠঃ                         ধারা ৪২৫

➽ অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশঃ                 ধারা ৪৪১

➽ জালিয়াতি : মিথ্যা দলিল প্রণয়ন : শাস্তিঃ    ধারা (৪৬৩ : ৪৬৪ : ৪৬৫)

➽ মানহানি (defamation) : শাস্তিঃ                      ধারা (৪৯৯ : ৫০০)

 

➲ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর বিভিন্ন অপরাধের ধারাসমূহঃ

no image
Online School of Law, Bangladesh. Online Law Learning Platform.

১. তত্ত্বগত বা মৌলিক আইন ও পদ্ধতিগত আইন কি?

১নং প্রশ্নের উত্তরঃ

তত্ত্বগত বা মৌলিক আইন (Substantive Law): যে আইন মানুষের অধিকার নিরুপণ করে তাকে মূল আইন বলে। যেমন - দন্ডবিধি আইন, চুক্তি আইন, সুনির্দস্ট প্রতিকার আইন।

পদ্ধতিগত আইন (Procedural Law): যে আইন অধিকার প্রয়োগ করে তাকে পদ্ধতিগত আইন বলে। যেমন - ফৌজদারী আইন।


০২. তত্ত্বগত বা মৌলিক আইন ও পদ্ধতিগত আইন এর মধ্যে পার্থক্য লিখ।

২নং প্রশ্নের উত্তরঃ

তত্ত্বগত বা মৌলিক আইনঃ

১. কোন কাজটি অন্যায় বা অবৈধ তা নির্ধারণ করে তত্ত্বগত আইন।

২. কোন নির্দিষ্ট অপরাধ আর্থিক দণ্ডে দণ্ডনীয় না কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় তা তত্ত্বগত আইনের প্রশ্ন।

৩. মৃত্যুদণ্ডের বিধান বিলোপ করা হলে তা তত্ত্বগত আইনের পরিবর্তন।


পদ্ধতিগত আইনঃ

১. কোন কাজটি অন্যায় বা অবৈধ তা প্রমাণ করে পদ্ধতিগত আইন।

২. কোন নির্দিষ্ট অপরাধ আর্থিক দণ্ডে দণ্ডনীয় না কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় তা প্রমাণ করে পদ্ধতিগত আইন।

৩. ঋণের জন্য কারাদণ্ডের বিধান বিলোপ করা হলে তা পদ্ধতিগত আইনের পরিবর্তন।


৩. দেওয়ানি কার্যবিধি কি নিছক পদ্ধতিগত আইন-  যুক্তি দেখাও।

৩নং প্রশ্নের উত্তরঃ

"দেওয়ানি কার্যবিধি একটি নিছক পদ্ধতিগত আইন"- দেওয়ানি কার্যবিধি তত্ত্বগত আইন ও পদ্ধতিগত আইনের সংমিশ্রণ।

দেওয়ানি কার্যবিধিতে মোট ধারা আছে ১৫৫টি, এবং দ্বিতীয়ভাগে আদেশ আছে ৫০টি। এছাড়া বিধি ও কার্যবিধি রয়েছে। ধারাসমূহকে দেওয়ানি কার্যবিধির দেহ বলা হয়। ধারা হচ্ছে তত্ত্বগত বা মূল আইন। দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা সংশোধন করতে পারে শুধুমাত্র সংসদ।এবং আদেশসমুহ উচ্চ আদালত সংশোধন করতে পারে।