Articles by "বাংলাদেশের শ্রম আইন"
বাংলাদেশের শ্রম আইন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Online School of Law, Bangladesh. Online Law Learning Platform.

জাতীয়  বিশ্ববিদ্যালয়

এল এল. বি. প্রিলিমিনারী

বিষয়ঃ বাংলাদেশের শ্রম আইন (-)

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ এর এলএল.বি. প্রিলিমিনারী পরীক্ষার বাংলাদেশের শ্রম আইন বিষয়ের সম্ভাব্য টীকা উপস্থাপন করা হলো। স্বল্প সময়ে ভাল নম্বর প্রাপ্তির জন্য এ অংশ থেকে পড়ার বিকল্প নেই। 


বাংলাদেশের শ্রম আইন- টীকা লিখনঃ

  • তরুণ ব্যক্তি
  • লক আউট
  • লে-অফ
  • চেক অফ
  • শ্রম আপিল আদালত
  • ট্রেড ইউনিয়ন ও সিবিএ 
  • ছাঁটাই
  • ধীরে চলো
  • মৌসুমী কারখানা
  • বাণিজ্যিক ও শিল্প প্রতিষ্ঠান
  • সক্ষমতা সার্টিফিকেট
  • নিম্নতম মজুরী বোর্ড
  • চিকিৎসা পরীক্ষা
  • শ্রম পরিচালক
  • অসৎ শ্রমনীতি
  • ঢিমে তালের কাজ
  • শিল্প বিরোধ
  • ছুটি ও অবকাশ
  • ধর্মঘট ও তালাবদ্ধ
  • কর্মচ্যুতি ও বরখাস্ত
  • শালিস ও মধ্যস্থতা
  • মাতৃত্বকালীন সুবিধা
  • সক্ষমতা পত্র
  • জরিমানা
  • শিক্ষা নবিস
  • প্রধান পরিদর্শক ও প্রত্যয়নকারী চিকিৎসক
  • সম্পূর্ণ অক্ষমতা ও আংশিক অক্ষমতা
  • যৌথ দরকষাকষি প্রতিনিধি




বিঃ দ্রঃ  উপরিউক্ত বিষয়গুলো ভালভাবে আয়ত্ব করলে শুধুমাত্র টীকা লিখন নয়, পার্থক্য এবং সংক্ষিপ্ত প্রশ্নের উত্তর প্রদানে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। তবে যাদের পড়ার সময় খুবই কম বা আমার মতো ফাঁকিবাজ তারা সংক্ষিপ্ত সিলেবাসের জন্য যোগাযোগ করতে পারেন।

Online School of Law, Bangladesh. Online Law Learning Platform.
১নং প্রশ্নঃ
ক) শ্রমিক কে? ২০০৬ সালের শ্রম আইন অনুযায়ী শ্রমিকের প্রকারভেদ সমূহ আলোচনা কর। উক্ত আইন অনুযায়ী শ্রমিকের শিক্ষানবীশ কাল কিভাবে গণনা করা হয়? শ্রমিকের কাজের শর্তাবলী বলতে কি বুঝ?
খ) ২০০৬ সালের শ্রম আইন অনুযায়ী সার্ভিস বই সংক্রান্ত বিধানাবলী আলোচনা কর।উক্ত আইন অনুযায়ী শ্রমিকের ছুটি নেওয়ার পদ্ধতি কি? সার্ভিস বইয়ে কি কি বিষয়াদি উল্লেখ থাকে তা ব্যাখ্যা কর।


২নং প্রশ্নঃ
ক) অসৎ শ্রম আচরণ কি? ২০০৬ সালের শ্রম আইন অনুযায়ী মালিক ও শ্রমিক পক্ষের অসৎ শ্রম আচরণ পৃথক পৃথক ভাবে আলোচনা কর।
খ) অসৎ শ্রম আচরণের ক্ষেত্রে শাস্তির বিধান কি?

৩নং প্রশ্নঃ
ক) ২০০৬ সালের শ্রম আইন অনুযায়ী কোন কোন কাজ এবং ত্রুটিসমূহ অসদাচরণ বলে গণ্য হয়? উক্ত আইন অনুযায়ী অসদাচরণের জন্য শাস্তির বিধান ও পদ্ধতি আলোচনা কর।
খ) Discharge(অব্যাহতি), Dismiss(বরখাস্ত) এবং Termination(অপসারণ) এর মধ্যে পার্থক্য কি?

৪নং প্রশ্নঃ
ক) ছাঁটাই কি?২০০৬ সালের শ্রম আইন অনুযায়ী ছাঁটাইয়ের শর্ত,পদ্ধতি ও ক্ষতিপূরণের বিধানাবলী আলোচনা কর।
খ) ছাঁটাইকৃত শ্রমিকের পুনঃনিয়োগের বিধান কি?

৫নং প্রশ্নঃ
ক) লে-অফ কি? ২০০৬ সালের শ্রম আইন অনুযায়ী মালিক কখন লে-অফ ঘোষণা করতে পারে। উক্ত আইন অনুযায়ী লে-অফকৃত শ্রমিকরা কখন ক্ষতিপূরণ পাওয়ার অধিকারী হয় এবং কখন তাদের উক্ত অধিকার থাকে না?
অথবা
“লে-অফকৃত শ্রমিকরা ক্ষিতপূরন পাওয়ার অধিকারী কিন্তু সব সময় নয়।” অথবা, কথাটি আলোচনা কর। লে-অফের ক্ষতিপূরণের বিধানাবলী কি?

৬নং প্রশ্নঃ
ক) ২০০৬ সালের শ্রম আইন অনুযায়ী কোন কোন মহিলা শ্রমিক কর্মে নিয়োগ নিষিদ্ধ? উক্ত আইন অনুযায়ী প্রসুতি কল্যাণ সুবিধা সংক্রান্ত বিধানাবলী আলোচনা কর। এ সময় মহিলা শ্রমিকের চাকরীর অবসান ঘটানো যায় কি-না?

৭নং প্রশ্নঃ
ক) ২০০৬ সালের শ্রম আইন অনুযায়ী শ্রমিকদের কর্মঘন্টা উল্লেখ কর। শ্রমিকদের কর্মঘন্টা সংক্রান্ত বিধানাবলী আলোচনা কর। উক্ত আইন অনুযায়ী বিভিন্ন প্রকার ছুটির বিধানাবলী আলোচনা কর।
খ) “প্রত্যেক দোকান বা বানিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বা শিল্প প্রতিষ্ঠান সপ্তাহে অন্তত দেড় দিন সম্পূর্ন বন্ধ থাকবে” উক্তিটি আলোচনা কর। কোন কোন দোকান বা বানিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থেকে অব্যাহতি পায়?

৮নং প্রশ্নঃ
ক) মুজুরী কি? ২০০৬ সালের শ্রম আইন অনুযায়ী কে,কখন,কোন মুদ্রায় মুজুরী পরিশোধ করবে? উক্ত আইন অনুযায়ী মুজুরী থেকে কর্তনের বিধানাবলী আলোচনা কর।
খ) বে-আইনি কর্তন,বিলম্বে মুজুরী পরিশোধের ক্ষেত্রে উত্থাপিত দাবী কিভাবে প্রতিকার বা মিমাংসা করা হয়? ক্ষয়ক্ষতি বা বিনষ্টের জন্য এবং কর্তব্য কাজে অনুপস্থিতির জন্য মুজুরী কর্তনের বিধান কি?

৯নং প্রশ্নঃ
ক) ট্রেড ইউনিয়ন কি? ২০০৬ সালের শ্রম আইন অনুযায়ী একটি ট্রেড ইউনিয়নের দরখাস্তের জন্য এবং এর রেজিস্ট্রেশনের জন্য কি কি বিষয়াদি উল্লেখ করতে হয়?
খ) কি কি কারনে একটি ট্রেড ইউনিয়নের নিবন্ধন বাতিল হয়?উক্ত বাতিলের ক্ষেত্রে প্রতিকার কি? একটি ট্রেড ইউনিয়নের সুযোগ সুবিধা সমূহ আলোচনা কর।

১০নং প্রশ্নঃ ২০০৬ সালের শ্রম আইন অনুযায়ী শ্রমিকদের স্বাস্থ্য রক্ষা সংক্রান্ত বিধানাবলী আলোচনা কর।

১১নং প্রশ্নঃ ২০০৬ সালের শ্রম আইন অনুযায়ী শ্রমিকদের কল্যাণমূলক ব্যাবস্থা সমূহ আলোচনা কর। টিকা লিখ- প্রাথমিক চিকিৎসার সরঞ্জামাদি।

১২নং প্রশ্নঃ চাকরী চলাকালীন দুর্ঘটনা ও চাকরী হতে উদ্বুদ্ধ দুর্ঘটনা বলতে কি বুঝ? ২০০৬ সালের শ্রম আইন অনুযায়ী শ্রমিকদের ক্ষতিপূরণ সংক্রান্ত বিধানাবলী আলোচনা কর। কোন কোন ক্ষেত্রে শ্রমিকরা ক্ষতিপূরণ পাবে না?
Online School of Law, Bangladesh. Online Law Learning Platform.

লে-অফঃ

সাধারণভাবে 'লে-অফ' বলতে শিল্প বানিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের কাজ বন্ধ থাকার দরুন সাধারণভাবে কাজ হতে অবহতি বুঝায়।একে নির্দিষ্ট কারণে কাজ বন্ধ বলা হয়ে থাকে।

বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ এর ২(৫৮) তে 'লে-অফ' এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে।

বাংলাদেশের শ্রম আইন, ২০০৬ এর ২(৫৮) তে বলা হয়েছেঃ
"লে-অফ" অর্থ কয়লা, শক্তি বা কাঁচা মালের স্বল্পতা, অথবা মাল জমিয়া থাকা অথবা যন্ত্রপাতি বা কল-কব্জা বিকল বা ভাঙ্গিয়া যাওয়ার কারণে কোন শ্রমিককে কাজ দিতে মালিকের ব্যর্থতা, অস্বীকৃতি বা অক্ষমতা।


মালিক কর্তৃক 'লে-অফ' ঘোষণাঃ

কয়লা, শক্তি বা কাঁচা মালের স্বল্পতা, অথবা মাল জমিয়া থাকা অথবা যন্ত্রপাতি বা কল-কব্জা বিকল বা ভাঙ্গিয়া যাওয়ার কারণে মালিক পক্ষ 'লে-অফ' ঘোষণা করতে পারে।

লে-অফকৃত শ্রমিকগণের ক্ষতিপূরণের অধিকারঃ

নিম্নে বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ এর ১৬ ধারায় বর্ণিত লে-অফকৃত শ্রমিকের ক্ষতিপূরণের অধিকার সম্পর্কে উপস্থাপণ করা হলোঃ
১৬৷ (১) যে ক্ষেত্রে বদলী বা সাময়িক শ্রমিক নহেন এরূপ কোন শ্রমিককে, যাহার নাম কোন প্রতিষ্ঠানের মাস্টার রোলে অন্তর্ভুক্ত আছে এবং যিনি মালিকের অধীন অন্ততঃ এক বত্সর চাকুরী সম্পূর্ণ করিয়াছেন, লে-অফ করা হয়, তাহা হইলে মালিক তাহাকে, সাপ্তাহিক ছুটির দিন ব্যতীত তাহার লে-অফের সকল দিনের জন্য ক্ষতিপূরণ প্রদান করিবেন৷

(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত ক্ষতিপূরণের পরিমাণ হইবে সংশ্লিষ্ট শ্রমিকের মোট মূল মজুরী এবং মহার্ঘ ভাতা এবং এডহক বা অর্ন্তবর্তী মজুরী, যদি থাকে, এর অর্ধেক এবং তাহাকে লে-অফ করা না হইলে তিনি যে আবাসিক ভাতা পাইতেন, তাহার সম্পূর্ণের সমান৷

(৩) যে বদলী শ্রমিকের নাম কোন প্রতিষ্ঠানের মাস্টার-রোলের অন্তর্ভুক্ত আছে, তিনি এই ধারার প্রয়োজনে বদলী বলিয়া গণ্য হইবেন না যদি তিনি উক্ত প্রতিষ্ঠানে অবিচ্ছিন্নভাবে এক বছর চাকুরী সম্পূর্র্র্ণ করিয়া থাকেন৷

(৪) মালিক এবং শ্রমিকের মধ্যে ভিন্নরূপ কোন চুক্তি না থাকিলে, কোন শ্রমিক এই ধারার অধীন কোন পঞ্জিকা বত্সরে পঁয়তাল্লিশ দিনের অধিক সময়ের জন্য ক্ষতিপূরণ পাইবেন না৷

(৫) উপ-ধারা (৪) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, যদি কোন পঞ্জিকা বত্সরে কোন শ্রমিককে অবিচ্ছিন্নভাবে বা বিচ্ছিন্নভাবে পঁয়তাল্লিশ দিনের অধিক সময়ের জন্য লে-অফ করা হয়, এবং উক্ত পঁয়তাল্লিশ দিনের পর লে-অফের সময় যদি আরোও পনের দিন বা তদূর্ধ্ব হয়, তাহা হইলে উক্ত শ্রমিককে, শ্রমিক এবং মালিকের মধ্যে ভিন্নরূপে কোন চুক্তি না থাকিলে, পরবর্তী প্রত্যেক পনের বা তদূর্ধ্ব দিনসমূহের লে-অফের জন্য ক্ষতিপূরণ প্রদান করিতে হইবে৷

(৬) উপ-ধারা (৫) এ উল্লিখিত ক্ষতিপূরণের পরিমাণ হইবে সংশ্লিষ্ট শ্রমিকের মোট মূল মজুরী এবং মহার্ঘ ভাতা এবং এডহক বা অন্তর্বর্তী মজুরী, যদি থাকে, এর এক-চতুর্থাংশ এবং যদি আবাসিক ভাতা থাকে, তাহার সম্পূর্ণের সমান৷

(৭) কোন ক্ষেত্রে যদি কোন শ্রমিককে কোন পঞ্জিকা বত্সরে উপরে উল্লিখিত প্রথম পঁয়তাল্লিশ দিন লে-অফের পর কোন অবিচ্ছিন্ন পনের দিন বা তদূর্ধ্ব সময়ের জন্যে লে-অফ করিতে হয়, তাহা হইলে মালিক উক্ত শ্রমিককে লে-অফের পরিবর্তে ধারা ২০ এর অধীন ছাঁটাই করিতে পারিবেন৷

যেসকল ক্ষেত্রে লে-অফকৃত শ্রমিকগণ ক্ষতিপূরণ পাইবার অধিকারী হইবেন নাঃ

নিম্নে বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ এর ১৮ ধারায় বর্ণিত কতিপয় ক্ষেত্রে লে-অফকৃত শ্রমিকগণ ক্ষতিপূরণ পাইবার অধিকারী হইবেন না, তা উপস্থাপন করা হলোঃ
১৮৷ (১) এই অধ্যায়ের অন্যত্র যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন লে-অফকৃত শ্রমিককে ক্ষতিপূরণ প্রদেয় হইবে না, যদি-

(ক) তিনি একই প্রতিষ্ঠানে বা একই মালিকের অধীন একই শহরে বা গ্রামে অথবা আট কিলোমিটার দূরত্বের মধ্যে অবস্থিত ভিন্ন কোন প্রতিষ্ঠানে দক্ষতা বা পূর্ব অভিজ্ঞতার প্রয়োজন নাই-এরূপ কোন বিকল্প পদে একই মজুরীতে কাজ গ্রহণ করিতে অস্বীকার করেন;

(খ) তিনি মালিকের নির্দেশ সত্ত্বেও অন্ততঃ দিনে একবার প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক কর্ম সময়ের মধ্যে কোন নির্দিষ্ট সময়ে কাজের জন্য হাজিরা না দেন।

(২) উপ-ধারা (১) (খ) এর উদ্দেশ্যে, যদি লে-অফকৃত কোন শ্রমিক কোন দিনে স্বাভাবিক কর্ম সময়ের মধ্যে নির্ধারিত কোন সময়ে কাজের জন্য হাজিরা দেন, এবং হাজিরার দুই ঘণ্টার মধ্যে যদি তাহাকে কোন কাজ দেওয়া না হয়, তাহা হইলে তিনি সেই দিনের জন্য এই ধারার অর্থ মোতাবেক লে-অফকৃত হইয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন।

(৩) উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিতরুপে যদি কোন লে-অফকৃত শ্রমিক কাজের জন্য হাজিরা দেন, এবং তাহাকে কোন দিনের কোন পালায় উহা শুরু হওয়ার প্রাক্কালে কাজ দেওয়ার পরিবর্তে তাহাকে একই দিনে পালার দ্বিতীয়ার্ধে কাজে হাজির হওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয় এবং তিনি তদনুযায়ী কাজের জন্য হাজিরা দেন, তাহা হইলে তিনি ঐ দিনের অর্ধেক কর্ম সময়ের জন্য লে-অফ হইয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন এবং অবশিষ্ট অর্ধেক কর্মসময়ে, তাহাকে কোন কাজ দেওয়া হউক বা না হউক, তিনি চাকুরীতে ছিলেন বলিয়া বিবেচিত হইবেন।