Articles by "সাক্ষ্য আইন"
সাক্ষ্য আইন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Online School of Law, Bangladesh. Online Law Learning Platform.

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ (The Evidence Act, 1872)

(১৮৭২ সালের ১নং আইন)

➲ আইন নং                           ⇒ ১৮৭২ সালের ১নং আইন।

➲ খসড়া প্রস্তুতকারী              ⇒ স্যার ফিটজ ষ্টিফেন (Sir James Fitzjames Stephen)

➲ প্রথম প্রণীত হয়                 ⇒ ১৮৩৫ সালে

➲ সর্বশেষ প্রণীত হয়             ⇒ ১৫ মার্চ, ১৮৭২ (স্যার ফিটজ ষ্টিফেন কর্তৃক)

➲ কার্যকর হয়                       ⇒ ১ সেপ্টেম্বর, ১৮৭২ 

➲ আইনের ধরন                   ⇒ বিধিবদ্ধ বা পদ্ধতিগত আইন (Adjective/ Procedural Law)

➲ খন্ড                     ⇒ ৩ টি
➲ অধ্যায়                ⇒ ১১ টি
➲ মোট ধারা           ⇒ ১৬৭ [বাতিলঃ ৩ টি ধারা (২, ৮১ এবং ১১৩)]


Evidence Act


চলবে................ আপডেট।

Online School of Law, Bangladesh. Online Law Learning Platform.


অদ্য ৩১/০৮/২০২২ইং রোজ বুধবার বিচার ব্যবস্থায় একটি নতুন দ্বার উন্মোচিত হলো। সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ সংশোধনের মাধ্যমে ডিজিটাল রেকর্ড/ ইলেক্ট্রনিক রেকর্ড (কল রেকর্ড/ সিসিটিভি ফুটেজ/ ডিজিটাল ডেটা) আদালতে গ্রহণযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হবে।

Evidence Act 1872 সংশোধনকল্পে আনীত বিলঃ

  • Date: Aug 31, 2022
  • Title: বা. জা. স. বিল নং ২১/২০২২।--Evidence Act, 1872 সংশোধনকল্পে আনীত বিল।
  • Ministry: National Parliament of Bangladesh
  • Page: 14815 - 14826












Online School of Law, Bangladesh. Online Law Learning Platform.

প্রশ্ন- ০১ঃ সাক্ষ্য কাকে বলে?

উত্তরঃ সাক্ষ্য আইনের ৩ ধারায় সাক্ষ্যকে নিম্নোক্তভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। 

সাক্ষ্য (Evidence): যে সকল দলিল, বস্তু এবং বিবৃতি উপস্থাপন করে আদালত কোন বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয় প্রমাণ করে থাকেন তাকেই সাক্ষ্য বলা হয়।


প্রশ্ন- ০২ঃ সাক্ষ্য কত প্রকার ও কি কি?

উত্তরঃ সাক্ষ্য আইনের ৩ ধারায় সাক্ষ্যকে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথাঃ

১. মৌখিক সাক্ষ্য (Oral Evidence) এবং

২. দালিলিক সাক্ষ্য (Documentary Evidence)।


Types of Evidence


১. মৌখিক সাক্ষ্য (Oral Evidence):  আদালত কোন বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয় প্রমানের জন্য সাক্ষীর নিকট হতে যে বিবৃতি (Statement) বা জবানবন্দি গ্রহণ করেন তাকেই মৌখিক সাক্ষ্য বলা হয়। [ ধারা ৬০ ]


২. দালিলিক সাক্ষ্য (Documentary Evidence): আদালতে উপস্থাপনের জন্য যে সকল দলিল দাখিল করা হয়, সেই সকল দলিলকে দালিলিক সাক্ষ্য বলে। [ ধারা ৬১ ]

৬১ ধারা অনুযায়ী, কোন দলিলের বিবরণ প্রাথমিক সাক্ষ্য অথবা মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যেতে পারে। অর্থ্যাৎ দালিলিক সাক্ষ্য দুই প্রকার। যথাঃ 
(ক) প্রাথমিক সাক্ষ্য (Primary Evidence)  এবং
(খ) মাধ্যমিক সাক্ষ্য (Secondary Evidence)।

() প্রাথমিক সাক্ষ্য (Primary Evidence): মূল দলিল আদালতে হাজির করাকেই প্রাথমিক সাক্ষ্য বলে। [ ধারা ৬২ ]

() মাধ্যমিক সাক্ষ্য (Secondary Evidence): মূল দলিলের অনুলিপি বা প্রতিলিপি আদালতে হাজির করাকেই মাধ্যমিক সাক্ষ্য বলে। [ ধারা ৬৩ ]


কিছু গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট, যা জেনে রাখা ভালোঃ
  1. দলিলের বিবরণ প্রমাণের জন্য উক্ত দলিলই হলো সর্বোত্তম সাক্ষ্য। দলিলের বিষয়বস্তু ব্যতীত সকল বিষয় মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যেতে পারে।
  2. ধারা ৬০ অনুযায়ী মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ (Direct) হবে। এজন্য শোনা সাক্ষ্য (Hearsay Evidence) গ্রহণযোগ্য নয়।
  3. ধারা ৬৪ অনুযায়ী ব্যতিক্রম ছাড়া সকল ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রাথমিক সাক্ষ্য দ্বারা দলিল প্রমাণ করতে হবে।
  4. কতিপয় খন্ডে বিভক্ত দলিলের প্রতিটি খন্ডই ঐ দলিলের প্রাথমিক সাক্ষ্য।

প্রশ্ন- ০৩ঃ একজন বোবালোক, অতিবৃদ্ধ বা অল্প বয়স্ক বালক কি আদালতে সাক্ষ্য দিতে পারে আলোচনা করো?

উত্তরঃ আদালতের বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয় প্রমানের জন্য কোন বোবালোক আদালতের প্রশ্ন বুঝে ইশারা বা আকার ইঙ্গিতে কিংবা লিখিত জবাব দিতে সক্ষম হয় তবে আদালতে তার সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হবে। [ ধারা ১১৯]

আবার একজন অতি বৃদ্ধ বা অল্প বয়স্ক বালক আদালতের প্রশ্ন বুঝে যদি জবাব দিতে পারেন সেই ক্ষেত্রে তাদের সাক্ষ্যও গ্রহণযোগ্য হবে। [ ধারা ১১৮ ]

উপরিউক্ত সংজ্ঞাগুলো সম্পর্কে বিস্তর ধারণা নিতে নিম্নোক্ত ধারাগুলো ভাল করে পড়ে নিতে পারেন।

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ৩, ৬০, ৬১, ৬২, ৬৩, ১১৮ এবং ১১৯ ধারা।
Online School of Law, Bangladesh. Online Law Learning Platform.

আইনের প্রকৃতিঃ

মনে রাখুনঃ দসুঃ মূল আইন | অন্যান্য আইনঃ পদ্ধতিগত আইন বা উভয়
দঃ দন্ডবিধি, ১৮৬০
সুঃ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আই্ন, ১৮৭৭


কোনটি কত নং আইন?

মনে রাখুনঃ সাসু- ১ | ফৌদে- ৫ | তাদবা- ৯,৪৫,৪৬
সাসুঃ ১নং আইন
সাঃ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২
সুঃ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আই্ন, ১৮৭৭

ফৌদেঃ ৫নং আইন
ফৌঃ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮
দেঃ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮

তাদবা- ৯,৪৫,৪৬নং আইন
তাঃ তামাদি আইন, ১৯০৮ : ৯নং আইন
দঃ দন্ডবিধি, ১৮৬০ : ৪৫নং আইন
বাঃ বার কাউন্সিল, ১৯৭২ : ৪৬নং আইন
Online School of Law, Bangladesh. Online Law Learning Platform.

Leading Questions:

Leading Questions এর শাব্দিক অর্থ  ইংগিতবাহী প্রশ্ন। যে প্রশ্নের মধ্যে উত্তর বলে দেয়া থাকে, তাকে Leading Question বলা হয়। উদাহরণঃ আপনি কি ১২ জুন ঢাকা গিয়েছিলেন?


According to Black's Law Dictionary:
A question put or framed in such a form as to suggest the answer sought to be obtained by the person interrogating.

Example: Where were you on July 21st?

সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৪১ অনুসারেঃ
প্রশ্নকারী প্রশ্নের যে উত্তর আশা করেন, প্রশ্নের মধ্যেই তার ইঙ্গিত দেওয়া হলে, উহাকে ইংগিতবাহী প্রশ্ন বা Leading Questions বলা হয় ।

'হাঁ' বা 'না'; প্রশ্নের পর্বে যদি উত্তর নিহিত থাকে, তবে উত্তরকারীকে আর কষ্ট করে কিছু বলতে হয়না। সামান্য 'হাঁ' বা 'না'বললেই উত্তর দে্ওয়া হয়ে যায়। ইঙ্গিতবাহী প্রশ্নের নির্দিষ্ট কোন আকার বা আঙ্গিক নেই। যেকোনো আঁকারে বা আঙ্গিকে এরূপ প্রশ্ন করা যায়।

Leading Questions কখন করা যায়?

সাক্ষ্য আইনের ১৪৩ ধারা অনুসারে সাক্ষীকে জেরা করার সময় ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করা যায়।

Leading Questions কখন করা যায় না?

সাক্ষ্য আইনের ১৪২ ধারা অনুসারে সাক্ষীর জবানবন্দী এবং পুন-জবানবন্দী গ্রহনকালে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করা যায় না। তবে যে সকল্ বিষয় ভুমিকা মুলক অথবা অবিসংবাদিত অথবা পূর্বেই যথেষ্টরুপে প্রমানিত হয়েছে বলে আদালত মনে করেন সেসকল বিষয়ে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করতে আদালত অনুমতি দিতে পারেন।