সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭
[ The Specific Relief Act, 1877 ]
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে তামাদির মেয়াদ সংক্রান্ত তথ্যাবলী
বিষয় সংশ্লিষ্ট ধারা তামাদির মেয়াদ তামাদি আইন, ১৯০৮
⇛ সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধারঃ ধারা ৮ ১২ বছর অনুচ্ছেদ ১৪২সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭
[ The Specific Relief Act, 1877 ]
বিষয় সংশ্লিষ্ট ধারা তামাদির মেয়াদ তামাদি আইন, ১৯০৮
⇛ সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধারঃ ধারা ৮ ১২ বছর অনুচ্ছেদ ১৪২সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭
নিষেধাজ্ঞা হলো বিচারিক সিদ্ধান্ত যার মাধ্যমে মোকদ্দমার কোনপক্ষকে সুনির্দিষ্ট কাজ করতে বা করা
হতে আদালত বিরত থাকতে আদেশ দেয়।
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ৫২ হতে ধারা ৫৭ পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা বা Injunction সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। নিম্নে ধারা (৫২-৫৭) এর আলোচ্য বিষয়াবলি উপস্থাপন করা হলোঃ
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এ তিন (০৩) প্রকারের নিষেধাজ্ঞার বিধান আছে। যথাঃ
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ৫২ ধারায় দুই (০২) প্রকারের নিষেধাজ্ঞার বিধান সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। যথাঃ
শুধুমাত্র মামলার শুনানীর পর মামলার গুণাগুণের উপর ভিত্তি করে কোন পক্ষকে কোন কাজ করা হতে স্থায়ীভাবে বিরত থাকতে যে আদেশ দেয়া হয়, সেই আদেশকে স্থায়ী বা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Perpetual Injunction) বলা হয়।
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা (৫৪-৫৬) অনুসারে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেয়া হয়।
অস্থায়ী বা অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে মামলার কোন পক্ষকে অস্থায়ীভাবে কোন কাজ করা হতে বিরত থাকতে নির্দেশ দেয়া হয় । এমন আদেশ পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকে। মামলার যেকোন অবস্থাতেই তা মঞ্জুর করা যায় এবং দেওয়ানী কার্যবিধি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ৫৩ এবং দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৩৯নং আদেশ অনুসারে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেয়া হয়।
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ৫৫ ধারাতে বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞার বিধান সম্পর্কে বলা হয়েছে।
যে নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে আদালত কোন পক্ষকে কোন কাজ করতে বাধ্য করেন তাকে আদেশ মূলক বা বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (Mandatory Injunction) বলে। এটি আদালতের একটি আদেশ। এই আদেশের মাধ্যমে আদালত বিবাদীকে কোন অবস্থার পরিসমাপ্তি না ঘটাতে কোন প্রত্যক্ষ কাজ করতে নির্দেশ প্রদান করেন।
১নং প্রশ্নের উত্তরঃ
তত্ত্বগত বা মৌলিক আইন (Substantive Law): যে আইন মানুষের অধিকার নিরুপণ করে তাকে মূল আইন বলে। যেমন - দন্ডবিধি আইন, চুক্তি আইন, সুনির্দস্ট প্রতিকার আইন।
পদ্ধতিগত আইন (Procedural Law): যে আইন অধিকার প্রয়োগ করে তাকে পদ্ধতিগত আইন বলে। যেমন - ফৌজদারী আইন।
তত্ত্বগত বা মৌলিক আইনঃ
১. কোন কাজটি অন্যায় বা অবৈধ তা নির্ধারণ করে তত্ত্বগত আইন।
২. কোন নির্দিষ্ট অপরাধ আর্থিক দণ্ডে দণ্ডনীয় না কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় তা তত্ত্বগত আইনের প্রশ্ন।
৩. মৃত্যুদণ্ডের বিধান বিলোপ করা হলে তা তত্ত্বগত আইনের পরিবর্তন।
পদ্ধতিগত আইনঃ
১. কোন কাজটি অন্যায় বা অবৈধ তা প্রমাণ করে পদ্ধতিগত আইন।
২. কোন নির্দিষ্ট অপরাধ আর্থিক দণ্ডে দণ্ডনীয় না কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় তা প্রমাণ করে পদ্ধতিগত আইন।
৩. ঋণের জন্য কারাদণ্ডের বিধান বিলোপ করা হলে তা পদ্ধতিগত আইনের পরিবর্তন।
"দেওয়ানি কার্যবিধি একটি নিছক পদ্ধতিগত আইন"- দেওয়ানি কার্যবিধি তত্ত্বগত আইন ও পদ্ধতিগত আইনের সংমিশ্রণ।
দেওয়ানি কার্যবিধিতে মোট ধারা আছে ১৫৫টি, এবং দ্বিতীয়ভাগে আদেশ আছে ৫০টি। এছাড়া বিধি ও কার্যবিধি রয়েছে। ধারাসমূহকে দেওয়ানি কার্যবিধির দেহ বলা হয়। ধারা হচ্ছে তত্ত্বগত বা মূল আইন। দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা সংশোধন করতে পারে শুধুমাত্র সংসদ।এবং আদেশসমুহ উচ্চ আদালত সংশোধন করতে পারে।