Articles by "Crime News"
Crime News লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Online School of Law, Bangladesh. Online Law Learning Platform.

সোমবার (৬ মার্চ, ২০২৩) দিবাগত রাতের যে কোন সময় খুলনার দৌলতপুর থানা নির্বাচন অফিসের জানালার গ্রিল কেটে তিনটি ল্যাপটপ, ক্যামেরাসহ প্রায় সাড়ে সাত লাখ টাকার মালামাল নিয়ে যায় চোরেরা। এ ঘটনায় বুধবার (৮ মার্চ, ২০২৩) সন্ধ্যায় দুই চোরকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় পুলিশ। 

বিস্তারিত বিভিন্ন পত্রিকায়ঃ

তথ্যসূত্রঃ আজকের পত্রিকা

প্রকাশঃ ০৮ মার্চ ২০২৩, ২২:০৩

খুলনায় নির্বাচন কমিশন অফিসে চুরি, আটক ২

খুলনার দৌলতপুর নির্বাচন কমিশন অফিস থেকে তিনটি ল্যাপটপ ও ক্যামেরাসহ বিভিন্ন মালামাল চুরি গেছে। গত সোমবার দিবাগত রাতে নির্বাচন অফিসের জানালার গ্রিল কেটে এসব মালামাল নিয়ে যায় চোরেরা। এ ঘটনায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে দুজনকে গ্রেপ্তার ও তিনটি ল্যাপটপ উদ্ধার করেছে।

দৌলতপুর নির্বাচন কমিশন অফিসে চুরির ঘটনায় তিনটি ল্যাপটপসহ গ্রেপ্তার হওয়া দুজন। ছবি: আজকের পত্রিকা

গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন খালিশপুর লিবার্টি স্ট্যান্ডের ঝরনার বাড়ির ভাড়াটিয়া মো. নয়ন খা (২০) ও নয়বাটি এলাকার সোহেল শেখ (২১)।



তথ্যসূত্রঃ সময়ের খবর 

প্রকাশঃ ০৯/০৩/২০২৩ইং

দৌলতপুর নির্বাচন কমিশন অফিসে চুরিঃ তিনটি ল্যাবটপ উদ্ধার

    খুলনার দৌলতপুর নির্বাচন কমিশন অফিসে অজ্ঞাত চোরেরা তিনটি ল্যাবটপ, ক্যামেরাসহ প্রায় সাড়ে ৭ লাখ টাকার মালামাল চুরি করেছে। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে দু'জনকে গ্রেফতার ও তিনটি ল্যাবটপ উদ্ধার করেছে। সোমবার দিবাগত রাতের যে কোন সময় দুর্বৃত্তরা সেখান থেকে জানালার গ্রিল কেটে এসব মালামাল নিয়ে যায়। ...... .... ... .. .




....... ........ .... .....  ইতিমধ্যে এ ঘটনায় দু'জনে গ্রেফতার ও তিনটি ল্যাবটপ উদ্ধার হয়েছে। বাকীদের গ্রেফতার ও মালামাল উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।



তথ্যসূত্রঃ দৈনিক প্রবাহ
প্রকাশঃ ০৯/০৩/২০২৩ইং

Online School of Law, Bangladesh. Online Law Learning Platform.

কুয়াকাটা বেড়াতে গিয়ে খুন হলেন খুলনার সোহাগ

তথ্যসূত্রঃ   দৈনিক পূর্বাঞ্চল (সেপ্টেম্বর ২২, ২০২০)

নিজস্ব সংবাদদাতা, কলাপাড়া (পটুয়াখালী): খুলনা থেকে সমুদ্র সৈকত কুয়াকাটা বেড়াতে গিয়ে খুন হয়েছেন সোহাগ(৪০) নামের এক ব্যক্তি। তিনি খুলনা মহানগরীর দৌলতপুর থানা এলাকার আওয়ামীলীগ নেতা রানা পারভেজ সোহেলের ছোট ভাই। পুলিশ গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় লাশ উদ্ধার করে পটুয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।

কুয়াকাটা থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মনিরুল ইসলাম জানান, কুয়াকাটার সাউথ বাংলা হোটেলের একটি কক্ষ থেকে গতকাল সন্ধ্যায় সোহাগের লাশ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে যে, তাকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যা করা হয়েছে। তার সাথে আসা অন্যরা প্রাইভেটকারযোগে ঠান্ডা মাথায় চলে যায় বলে হোটেলের ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরার ফুটেজে দেখা গেছে। কয়েকদিন আগে তারা কয়েকজন বন্ধু মিলে কুয়াকাটা বেড়াতে যান বলেও ওসি জানান। তিনি বলেন, সিসি ক্যামেরার ফুটেজের আলোকে আসামী ধরার চেষ্টা চলছে। তবে সোহাগের সাথে টুকু নামের একজন সহযোগী ছিল বলেও প্রাথমিকভাবে জানা গেছে বলে ওসি উল্লেখ করেছেন। টুকু খুলনার একটি হোটেলের মালিক।

Online School of Law, Bangladesh. Online Law Learning Platform.

নগরীতে ব্যাংক থেকে গ্রাহকের ২লাখ ৮০ হাজার টাকা চুরি, দু’জন আটক

তথ্যসূত্রঃ দৈনিক পূর্বাঞ্চল (তারিখঃ ২১/০৯/২০২০ইং)

স্টাফ রিপোর্টারঃ খুলনা মহানগরীর তেঁতুলতলা মোড়স্থ ডাচবাংলা ব্যাংক অভ্যন্তরে গ্রাহকের কাছ থেকে দু’লাখ ৮০ হাজার টাকা চুরি হয়েছে। গতকাল রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় দু’জনকে আটক করে পুলিশ।



প্রত্যক্ষদর্শী ও পুুলিশ জানায়, ধীরেন চন্দ্র দেবনাথ নামের এক ব্যবসায়ী ওই টাকা জমা দিতে ব্যাংকে আসেন। তিনি টেবিলের পাশে টাকার ব্যাগটি রেখে ব্যাংকের জমা ফরম পূরণ করছিলেন। হঠাৎ দেখেন টাকা ভর্তি ব্যাগটি নেই। তিনি সাথে সাথে চিৎকার দিলে ব্যাংকের দারোয়ান গেট বন্ধ করে দেন। কিন্তু ততক্ষণে টাকার ব্যাগ নিয়ে প্রতারক চক্রটি চলে যেতে সক্ষম হয়। পরে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে ব্যাংকের ক্লোজ সার্কিট(সিসি) ক্যামেরার ফুটেজ দেখে প্রতারক সন্দেহে একজনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

এ ঘটনায় ধৃত তরিকুল ইসলাম (৩২) বাগেরহাটের রামপাল গৌরম্ভা এলাকার মোঃ হুমায়ুন শেখের ছেলে। তার স্বীকারোক্তি মোতাবেক পিরোজপুরের আইরন বাজার এলাকার মৃত আবু জাফরের ছেলে মিতুল মাহমুদ (২৫) কে স্থানীয়রা আটক করে পুলিশে সোর্পদ করে।

সোনাডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মমতাজুল হক বলেন, প্রতারক চক্রের সদস্য ধৃত তরিকুল ইসলাম ব্যবসায়ী ধীরেন দেবনাথের টাকার ব্যাগটি একটু আড়াল করে তার সাথে কথা বলছিলেন। মুহূর্তের মধ্যে সিন্ডিকেটের অপর সদস্য টাকার ব্যাগটি নিয়ে পালিয়ে যান।

ওসি আরও বলেন, ঘটনার পর থেকে ধৃত তরিকুল ও মিতুল মাহমুদ এবং ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীকে সাথে নিয়ে অভিযান চলছে। প্রতারক চক্রটি একটি সিন্ডিকেট। এদের সিন্ডিকেটে একাধিক গ্রুপে ভাগ হয়ে থাকে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। গতরাতে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সোনাডাঙ্গা মডেল থানায় এ ব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছিল।

Online School of Law, Bangladesh. Online Law Learning Platform.
তথ্য সূত্রঃ দৈনিক পূর্বাঞ্চল (জুলাই ৩১, ২০২০)


খানজাহান আলী থানা প্রতিনিধিঃ নগরীর আড়ংঘাটা থানাধীন তেলিগাতী মধ্যপাড়ায় আমজাদ শেখের পুত্র বাচ্চু শেখ(৩২)কে গতকাল বৃহস্পতিবার ভোরে নিজ ঘরের মধ্যে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

ফুফাতো ভাইয়ের স্ত্রীর সাথে পরকিয়ার জেরে হত্যাকান্ড সংগঠিত হতে পারে বলে নিহতের স্বজন এবং এলাকাবাসীর ধারনা। এ ঘটনায় পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নবীরের স্ত্রী নাছরিন ও একই এলাকার নগেন ঢালির পুত্র গুড্ডু ঢালি ( ৩৮) নামের দু’জনকে আটক করেছে। পুলিশের উর্ধতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। বাচ্চু শেখের লাশ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

এলাকাবাসী জানায়, তেলিগাতী মধ্যপাড়ার আমজাদ শেখের পুত্র বাচ্চু শেখ নিজ ঘরের মধ্যে ঘুমানো ছিলেন। বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৪টায় অজ্ঞাতনামা দুষ্কৃতিকারী ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলায় আঘাত করে। এসময় তিনি প্রাণ বাঁচাতে ঘর থেকে দৌঁড়ে বাইরে গিয়ে পড়ে যান। সেখানে তাকে গলা কেটে ফেলে রেখে যায় অস্ত্রধারীরা। পাশের ঘরে থাকা বাচ্চুর পিতা আমজাদ শেখ ছেলের গোংরানোর শব্দ শুনে বাইরে বেরিয়ে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান। এসময় তাকে তুলে নিয়ে নিজ ঘরের সামনে আনতেই তিনি মারা যান।

এ ঘটনায় বাচ্চুর মামাতো ভাইয়ের স্ত্রী নাছরিনকে যাব্দিপুরস্থ তার বাবার বাড়ি থেকে এবং গুড্ডুকে তেলিগাতী মধ্যপাড়া থেকে পুলিশ আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

এ ব্যাপারে আড়ংঘাটা থানার অফিসার্স ইনচার্জ কাজী রেজাউল করিম বলেন, হত্যাকান্ডের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে কারণ অনুসন্ধান চলছে। তদন্তের পর হত্যাকান্ডের প্রকৃত কারণ জানা যাবে। তিনি বলেন, নিহত বাচ্চু শেখের নামে থানায় মাদকের মামলা রয়েছে। তবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটকের কথা তিনি স্বীকার করেননি। হত্যাকান্ডের খবর পেয়ে সকালেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন কেএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার(উত্তর) মোল্লা জাহাঙ্গীর, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার সোনালী সেনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ।
Online School of Law, Bangladesh. Online Law Learning Platform.
তথ্য সূত্রঃ দৈনিক পূর্বাঞ্চল (জুন ২৯, ২০২০)

স্টাফ রিপোর্টারঃ গত ২৪ ঘন্টায় খুলনা মহানগর পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযানে মহানগরীর বিভিন্ন থানা এলাকা থেকে ছয়জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের কাছ থেকে পুলিশ দু’লিটার বাংলা মদ, ১০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট এবং ৯৯০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করে।


কেএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার(সদর) মিডিয়া ও পিআর কানাই লাল সরকার বলেন, গ্রেফতারকৃতরা হলেন, মোঃ এরাদত ব্যাপারী (২৫), ফারুক বিশ্বাস (৩৫), মোঃ ইলিয়াছ মিয়া(৩০), মোঃ জাহিদুল ইসলাম(৪০), মোঃ রিপন(৩৭) এবং মোঃ মইনুল ইসলাম মঈন(৪৭)। এ ব্যাপারে তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় পাঁচটি মাদক মামলা রুজু করা হয়েছে।
Online School of Law, Bangladesh. Online Law Learning Platform.
তথ্য সূত্রঃ দৈনিক পূর্বাঞ্চল (জুন ২০, ২০২০

স্টাফ রিপোর্টারঃ নগরীর গল্লামারীর রাইসা ক্লিনিকের পরিচালক ও বাগেরহাট ম্যাটস-এর অধ্যক্ষ ডা: আব্দুর রকিব হত্যা মামলার প্রধান আসামী জমির শেখ আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। গতকাল শুক্রবার খুলনার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আতিকুস সামাদ তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। অপর দুই জন আসামি আবু আলী ও গোলাম মোস্তফাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এরপর তাদের থানা হাজতে নেওয়া হয়। এর আগে, বৃহস্পতিবার আদালত আসামি আ: রহিমের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। তিনি এখন খুলনা থানায় পুলিশ রিমান্ডে রয়েছেন।

ডা: রকিব

ডা. রকিব খান হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই বিএম মনিরুজ্জামান এসব তথ্য জানান। এর আগে গত ১৫ জুন রাতে গল্লামারী রাইসা ক্লিনিকের সামনে মোহম্মদনগর এলাকার এক মৃত রোগীর স্বজনদের হামলায় আহত হয়ে ডা: রকিব খান পরদিন ১৬ জুন সন্ধ্যায় খুলনা শহীদ শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জানান, ডা. রকিব খান হত্যা মামলার প্রধান আসামী জমির শুক্রবার ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিতে সম্মত হন। অপর দুই জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। জবানবন্দি শেষে জমিরকে কারাগারে পাঠানো হয়।

এসআই মনিরুজ্জামান আরও জানান, গত বৃহস্পতিবার মামলার আসামি খাদিজা আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন। এ ঘটনার সময় তিনি নিজে উপস্থিত ছিলেন বলেও স্বীকার করেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, কেএমপির লবণচরা থানাধীন মোহাম্মদ নগরের পল্লবী সড়কের বাসিন্দা আবুল আলীর স্ত্রী শিউলী বেগমকে ১৪ জুন সিজারের জন্য রাইসা ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। ওই দিন বিকেল ৫টায় অপারেশন হয়। বাচ্চা ও মা প্রথমে সুস্থ ছিলেন। পরে রোগীর রক্তক্ষরণ হলে ১৫ জুন সকালে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। সেখানের চিকিৎসকরাও রোগী রক্তক্ষরণ বন্ধ করতে না পেরে ঢাকায় রেফার্ড করে। ঢাকায় নেওয়ার পথে ১৫ জুন রাতে শিউলী বেগম মারা যান।


এ ঘটনায় নিহত রোগীর স্বজনরা ১৫ জুন রাত ৮টা ৫০ মিনিটের দিকে ডা. রকিবকে লাথি ঘুষি ও লাঠি দিয়ে আঘাত করে। এতে তার মাথার পেছনে জখম হয়। তাকে প্রথমে গাজী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে শেখ আবু নাসের হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে আইসিইউতে ১৬ জুন চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

১৭ জুন নিহতের ছোট ভাই খুলনা মডেল স্কুল এন্ড কলেজের প্রভাষক সাইফুল ইসলাম বাদি হয়ে খুলনা সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। হত্যার ঘটনায় চারজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো ১০ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করা হয়। ওই মামলায় এ পর্যন্ত মোট পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়।
Online School of Law, Bangladesh. Online Law Learning Platform.
তথ্য সূত্রঃ দৈনিক পূর্বাঞ্চল (জুন ১৯, ২০২০)

৭২ ঘন্টার আলটিমেটাম দিয়ে বিএমএ’র কর্মবিরতি স্থগিত


স্টাফ রিপোর্টারঃ নগরীর গল্লামারী রাইসা ক্লিনিকের পরিচালক ও বাগেরহাট ম্যাটস-এর অধ্যক্ষ ডা: আব্দুর রকিব খান হত্যা মামলার প্রধান আসামীসহ সর্বমোট পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। যাদের মধ্যে আব্দুর রহিম(৩৮) নামের একজনকে গতকাল বৃহস্পতিবার তিনদিনের রিমান্ডে নেয়া হয়েছে। অপর আসামী খাদিজা(৪৫) গতকাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট মো: শহীদুল ইসলামের আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে।


এদিকে, ডা: রকিব খান হত্যার প্রতিবাদে বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশন ঘোষিত ধর্মঘট গতকাল দুপুর থেকে স্থগিত করা হয়েছে। দুপুরে খুলনা প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলন থেকে ৭২ ঘন্টার আলটিমেটাম দিয়ে বলা হয়, এর মধ্যে মামলার অপর আসামী গ্রেফতার ও খুলনা থানার ওসিকে প্রত্যাহার না করা হলে আবারো কর্মবিরতিসহ বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই বিএম মনিরুজ্জামান বলেন, ডা: রকিব খান হত্যা মামলায় গতকাল পর্যন্ত এজাহারভুক্ত তিনজনসহ মোট পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বুধবার দিবাগত রাতে গাজীপুরের টঙ্গী ও খুলনার রূপসা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার প্রধান আসামি জমির, আবুল আলী, গোলাম মোস্তফা ও খাদিজাকে গ্রেফতার করা হয়। এছাড়া আগেই আব্দুর রহিম নামে একজনকে আটক করে পুলিশ। গ্রেফতারকৃত খাদিজা (৪৫) গতকাল ১৬৪ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ শাহীদুল ইসলাম ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ধারায় এ জবানবন্দি রেকর্ড করেন। অপর আসামি আব্দুর রহিম (৩৮)কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭দিনের রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার শুনাণী শেষে তার তিনদিনের পুলিশ রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আমিরুল ইসলাম।

অপরদিকে, খুলনা প্রেসক্লাবের হুমায়ুন কবির বালু মিলনায়তনে গতকাল দুপুরে খুলনা বিএমএ আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন থেকে খুলনা বিএমএ’র আজীবন সদস্য ডা. মোঃ আব্দুর রকিব খান হত্যার ঘটনায় এজাহারভুক্ত তিনজন আসামী গ্রেফতার হওয়ায় করোনা মহামারী বিবেচনায় শর্ত সাপেক্ষে খুলনা বিএমএ’র সকল কর্মসূচি ৭২ ঘন্টার জন্য স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে সার্বিক বিষয় বর্ণনা করেন খুলনা বিএমএ’র সভাপতি ও সংগঠনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ডা. শেখ বাহারুল আলম, খুলনা বিএমএ’র সাধারণ সম্পাদক ডা. মোঃ মেহেদী নেওয়াজ ও খুলনা বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. রাশেদা সুলতানা। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন খুলনা বিএমএ’র সহ-সভাপতি অধ্যাপক ডা. ধীরাজ মোহন বিশ্বাস, যুগ্ম সম্পাদক ডা. বঙ্গ কমল বসু, সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. মোঃ মামুনূর রশিদ, প্রচার ও জন-সংযোগ সম্পাদক ডা. সুমন রায়, কার্যকরী পরিষদের সদস্য ডা. ইউনুচ উজ্জামান খাঁন তারিম, ডা. দেবনাথ তালুকদার রনি, খুলনার সিভিল সার্জন ডা. সুজাত আহমেদ, খুলনা বিপিএমপিএ ও বিপিএইচসিডিওএ এর সাধারণ সম্পাদক ডা. মোঃ সওকাত আলী লস্কর নিহত ডা. মোঃ আব্দুর রকিব খাঁন এর ছোট ভাই বয়রা সরকারী কলেজের শিক্ষক মোঃ সাইফুল ইসলাম প্রমুখ।

সংবাদ সম্মেলন থেকে চিকিৎসক, স্বাস্থ্য কর্মীদের পূর্বের ন্যায় সুরক্ষিত থেকে চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা করার আহবান জানান হয়। এর আগে খুলনা বিএমএ’র কার্যকরী পরিষদ গঠিত আন্দোলন পরিচালনা কমিটির বিশেষ সভা খুলনা বিএমএ’র কাজী আজহারুল হক মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় তিন দফা শর্তে বিএমএ’র আন্দোলন ৭২ ঘন্টা স্থগিত করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। শর্তগুলো হচ্ছে, এজাহারভুক্ত ও জড়িত সকল আসামীকে ৭২ ঘন্টার মধ্যে গ্রেফতার করতে হবে, খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করতে হবে এবং মামলাটি অধিকতর গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনায় দ্রুত বিবেচনায় আইনে এই মামলার বিচার সম্পন্ন করে আসামীদের শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
ইসলামী আন্দোলনের নিন্দা ঃ খুলনা গল্লামারী রাইসা ক্লিনিকের মালিক ডাঃ রকিবের হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ খুলনা মহানগর নেতৃবৃন্দ।

তারা বলেন, কোন কাজ করতে গেলে ভুল হতে পারে কিন্তু কাউকে মেরে ফেলতে হবে এটা কারো কাম্য নয়, দেশে একের পর এক হত্যাকা- হতে চলছে এর কোন বিচার না পাওয়ায় সন্ত্রাসীরা এরকম অঘটন একের পর এক করে যাচ্ছে। ডাঃ রকিবের গ্রেফতারকৃত আসামীদের সঠিক তদন্তপূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ খুলনা মহানগর সভাপতি মুফতী আমানুল্লাহ, সহ সভাপতি মাওঃ মোজাফ্ফার হোসাইন, মুফতী মাহবুবুর রহমান, সেক্রেটারী শেখ মোঃ নাসির উদ্দিন, জয়েন্ট সেক্রেটারী মাওঃ দ্বীন ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক জিএম সজীব মোল্লা, সহ সাংগঠনিক মোল্লা রবিউল ইসলাম তুষার, প্রচার সম্পাদক মোঃ তরিকুল ইসলাম কাবির, সহ প্রচার আব্দুর রশীদ, দপ্তর সম্পাদক মোঃ শরিফুল ইসলাম, সহ দপ্তর মুফতী আমিরুল ইসলাম, অর্থ সম্পাদক মুক্তিযুদ্ধা জিএম কিবরিয়া, সহ অর্থ আলহাজ্ব মোমিনুল ইসলাম, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মুফতী ইসহাক ফরীদি, সহ প্রশিক্ষণ মাওঃ হাফিজুর রহমান, ছাত্র ও যুব বিষয়ক মাওঃ ইমরান হোসাইন, শিক্ষা ও সংস্কৃতি ইঞ্জিনিয়ার এজাজ মানসুর, আইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাডভোকেট কামাল হোসেন, কৃষি ও শ্রম বিষয়ক আলহাজ্ব আমজাদ হোসেন, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক আলহাজ্ব আব্দুস ছালাম, মহিলা ও পরিবার বিষয়ক ডাঃ মাওঃ নাসির উদ্দিন, সংখ্যালঘু বিষয়ক আলহাজ্ব আবু তাহের, নির্বাহী সদস্য মাওঃ শায়খুল ইসলাম বিন হাসান, মাওঃ সিরাজুল ইসলাম, আলহাজ্ব জাহিদুল ইসলাম প্রমুখ।
Online School of Law, Bangladesh. Online Law Learning Platform.
তথ্য সূত্রঃ দৈনিক পূর্বাঞ্চল (জুন ১৮, ২০২০)

স্টাফ রিপোর্টারঃ খুলনা মহানগর ডিবি পুলিশের একটি টিম গতকাল বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে হরিণটানা থানাধীন জিরো পয়েন্ট শিকদার মার্কেটের বিপরীতে মিজান মার্কেটের অরণ্য বডি ঘরের উত্তর পার্শ্বে ইটের সলিং রাস্তার উপর হতে মোঃ ইউসুফ শেখ (৩৯) নামের এক ব্যক্তিকে ৯০পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেফতার করেছে।


গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির পিতার নাম খালেক শেখ ওরফে খলিল শেখ। তিনি জিরো পয়েন্ট সংলগ্ন শিকদার মার্কেটের বিপরীতে জনৈক মিজানের বাড়ির ভাড়াটিয়া। তার বিরুদ্ধে হরিণটানা থানায় দু’টি মাদকের এবং একটি অন্য ধারায় মামলা রয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি দীর্ঘদিন যাবৎ খুলনা মহানগর এলাকায় মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট ক্রয়-বিক্রয়ের কাজ করে আসছেন। তার বিরুদ্ধে খুলনা হরিনটানা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। কেএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার শেখ মনিরুজ্জামান মিঠু এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
Online School of Law, Bangladesh. Online Law Learning Platform.
তথ্য সূত্রঃ দৈনিক পূর্বাঞ্চল (জুন ১৮, ২০২০)


২ দফা দাবিতে কর্মবিরতি শুরু, আজ সংবাদ সম্মেলন

স্টাফ রিপোর্টারঃ নগরীর গল্লামারী রাইসা ক্লিনিকের মালিক ও বাগেরহাট ম্যাটস-এর অধ্যক্ষ ডা: আব্দুর রকিব খান হত্যার ঘটনায় খুলনা থানায় গতকাল মামলা দায়ের হয়েছে। নিহতের ভাই সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। এ ঘটনায় পুলিশ গতকাল একজনকে গ্রেফতার করেছে।

এদিকে, ডা: রকিব খান হত্যার প্রতিবাদে বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশন খুলনা শাখা দু’দফা দাবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি শুরু করেছে। গতকাল বুধবার দুপুরে নগরীর সাতরাস্তা মোড়স্থ ডা: মিলন চত্বরের বিক্ষোভ সমাবেশ ও পরে বিএমএতে অনুষ্ঠিত নির্বাহী কমিটির সভা থেকে এ দাবি জানানো হয়। এ ব্যাপারে আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে খুলনা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএমএ। সোমবার রাত আটটার দিকে গল্লামারী রাইসা ক্লিনিকের সামনে থেকে মৃত প্রসূতির স্বজনদের হামলায় আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ডা: রকিব খান মঙ্গলবার বিকেলে মারা যান।
খুলনা থানার অফিসার ইনচার্জ আসলাম বাহার বুলবুল বলেন, নিহতের ভাই সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে ডা: রকিব খান হত্যার ঘটনায় গতকাল বুধবার একটি মামলা দায়ের করেন। যার নম্বর-৬, তারিখ-১৭/৬/২০। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই বিএম মনিরুজ্জামান বলেন, ওই মামলায় মো: আব্দুর রহিম(৩২) নামের এক আসামীকে গতকাল লবণচরা থানা এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার তাকে আদালতে পাঠিয়ে রিমান্ড চাওয়া হবে। ডা: আব্দুর রকিব খানের লাশের ময়না তদন্ত শেষে গতকাল বুধবার দাফন করা হয়েছে।

এদিকে, খুলনা বিএমএ’র আজীবন সদস্য ডা. মোঃ আব্দুর রকিব খাঁন-এর উপর সন্ত্রাসীদের নির্মম হামলায় নিহত হওয়ার ঘটনায় খুলনা বিএমএ’র জরুরী সভা ও শহীদ ডা. মিলন চত্বরে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী হামলার সাথে জড়িত সকল সন্ত্রাসী গ্রেফতার ও খুলনা সদর থানার ওসি প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত খুলনা জেলার সকল চিকিৎসা সেবা বদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। শুধুমাত্র কোভিড-১৯ হাসপাতাল ও খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরী সেবা চালু থাকবে ।



গতকাল বুধবার দুপুরে খুলনা বিএমএ’র কার্যকরী পরিষদের জরুরী সভা ও বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে এ কর্মসূচী ঘোষণা করা হয়। বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা করোনা মহামারীর এই দুর্যোগে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করা একজন চিকিৎসকের উপর এই ধরনের ন্যাক্কারজনক বর্বরোচিত সন্ত্রাসী হামলা করে চিকিৎসক হত্যা করার ঘটনায় খুলনা বিএমএ’র পক্ষ থেকে তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করেন এবং সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার ও শাস্তির দাবি করেন। অভিযোগ ও মামলা গ্রহণে অনীহা প্রকাশ করায় বক্তারা খুলনা সদর থানার ওসির প্রত্যাহার দাবি করেন। বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা অবিলম্বে চিকিৎসকদের কর্মস্থলের নিরাপত্তার জোর দাবি জানান।

সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী হামলার সাথে জড়িত সকল সন্ত্রাসী গ্রেফতার ও খুলনা সদর থানার ওসি প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত খুলনা জেলার সকল চিকিৎসা সেবা বদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। শুধুমাত্র কোভিড-১৯ হাসপাতাল ও খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরী সেবা চালু থাকবে। খুলনা বিএমএ, বিপিএমপিএ ও বিপিএইচসিডিওএ অফিসসহ সকল স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে কালো পতাকা উত্তোলন এবং সকল চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য কর্মীদের কালো ব্যাজ ধারণ করার নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে বিএমএ’র নির্বাহী কমিটির সভা থেকে আজ বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টায় খুলনা প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে চিকিৎসকদের বিভিন্ন দাবি তুলে ধরার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় খুলনা বিএমএ’র সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. মোঃ মামুনূর রশিদকে আহবায়ক, ডা. মোঃ সওকাত আলী লস্করকে যগ্ম আহবায়ক, ডা. সুমন রায়কে সদস্য সচিব এবং ডা. ইউনুচ উজ্জামান খাঁন তারিম, ডা. দেবনাথ তালুকদার রনি, ডা. এস এম তুষার আলমকে সদস্য করে আন্দোলন মনিটরিং কমিটি গঠন করা হয়।

খুলনা বিএমএ’র সভাপতি ও সংগঠনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ডা. শেখ বাহারুল আলমের সভাপতিত্বে খুলনা বিএমএ’র প্রচার ও জন-সংযোগ সম্পাদক ডা. সুমন রায়ের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন খুলনা বিএমএ’র সাধারণ সম্পাদক ডা. মোঃ মেহেদী নেওয়াজ, যুগ্ম সম্পাদক ডা. বঙ্গ কমল বসু, সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. মোঃ মামুনূর রশিদ, কার্যকরী পরিষদের সদস্য ডা. ইউনুচ উজ্জামান খাঁন তারিম, ডা. দেবনাথ তালুকদার রনি, খুলনা বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. রাশেদা সুলতানা, খুলনা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. এম এ আহাদ, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. মুন্সি মোঃ রেজা সেকেন্দার, খুলনার সিভিল সার্জন ডা. সুজাত আহমেদ, খুলনা বিপিএমপিএ ও বিপিএইচসিডিওএ এর সাধারন সম্পাদক ডা. মোঃ সওকাত আলী লস্কর প্রমুখ।
Online School of Law, Bangladesh. Online Law Learning Platform.
তথ্য সূত্রঃ দৈনিক পূর্বাঞ্চল (জুন ১৭, ২০২০)

স্টাফ রিপোর্টারঃ রোগীর স্বজনদের হামলায় আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেলেন নগরীর গল্লামারীর রাইসা ক্লিনিকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং বাগেরহাটের মেডিকেল এসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুলের(ম্যাটস) অধ্যক্ষ ডা: মো: আব্দুর রকিব খান(৫৯)। গতকাল মঙ্গলবার নগরীর শহীদ শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। সোমবার রাতে তাকে রাইসা ক্লিনিকের সামনে কেএমপির লবণচরা থানাধীন মোহাম্মদনগর এলাকার এক রোগীর স্বজনা মারধোর করে। পরে তাকে মূমূর্ষু অবস্থায় খুলনা গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে শহীদ শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় তার মৃত্যু হয়।

নিহতের ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম বলেন, গল্লামারী মোহাম্মদ নগরের পল্লবী সড়কের বাসিন্দা আবুল আলীর স্ত্রী শিউলী বেগমকে ১৪ জুন সিজারের জন্য রাইসা ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। ওই দিন বিকেল ৫টায় অপারেশন হয়। নবজাতক ও মা প্রথমে সুস্থ ছিলেন। পরে রোগীর রক্তক্ষরণ হলে সোমবার সকালে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। সেখানের চিকিৎসকরাও রোগী রক্তক্ষরণ বন্ধ করতে না পেরে ঢাকায় রেফার্ড করেন। ঢাকায় নেওয়ার পথে ওইদিন রাতে শিউলী বেগম মারা যান। পরে রোগীর স্বজনরা এম্বুলেন্স ঘুরিয়ে রাইসা ক্লিনিকের সামনে এসে রোগী দেখানোর নাম করে ডা: রকিবকে নিচে ডেকে আনেন। তিনি রোগী দেখে মৃত্যুবরণ করেছেন বলে উপরে উঠে যাওয়ার সময় কয়েকজন তাকে ধরেই কিলঘুষি দিয়ে মাটিতে লুটিয়ে ফেলেন। রাইসা ক্লিনিকের ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজে দেখা যায় ডা: রকিবের মাথা ধরে দেয়ালের সাথে ধাক্কা দেয়া হয়। এতে তাৎক্ষণিক তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়েন। পরে হামলাকারীরা দ্রুত এলাকা ত্যাগ করে। খবর পেয়ে খুলনা থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।

এ ব্যাপারে খুলনা থানার অফিসার ইনচার্জ আসলাম বাহার বুলবুল বলেন, আবু নাসের হাসপাতাল থেকে দেয়া মৃত্যু সনদপত্রে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মৃত্যুর কথা উল্লেখ রয়েছে। তার পরেও নিহতের স্বজনরা লাশের ময়না তদন্ত করানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ময়না তদন্ত রিপোর্ট পাওয়া এবং মামলা দায়েরের পরই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
তবে আবু নাসের হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. বিধান চন্দ্র গোস্বামী বলেন, মাথায় আঘাতের কারণে তার মস্তিস্কে রক্তক্ষরণ হয়েছে। এ কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে। লাশ নিহতের বাড়িতে নেওয়া হয়েছে।


খুলনা বিএমএ’র নিন্দাঃ খুলনা বিএমএ’র আজীবন সদস্য বাগেরহাট ম্যাটস এর অধ্যক্ষ ডা. মোঃ আব্দুর রকিব খাঁনকে তার হাসপাতালে কর্মরত অবস্থায় সন্ত্রাসী হামলায় নিহত হওয়ার ঘটনায় খুলনা বিএমএ’র পক্ষ থেকে তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন এবং সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার ও শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে। সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার ও শাস্তির দাবিতে খুলনা বিএমএ’র পক্ষ থেকে আজ বুধবার দুপুর ১ টায় নগরীর সাতরাস্তা মোড়স্থ শহীদ ডা. মিলন চত্বরে বিক্ষোভ সমাবেশ ও কালো ব্যাচ ধারণ করার কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। সন্ত্রাসীদের ২৪ ঘন্টার মধ্যে আইনের আওতায় শাস্তি নিশ্চিত করা না হলে আজ খুলনা বিএমএ’র কার্যকরী পরিষদের সভা থেকে কঠিন কর্মসূচি ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়া আজ দুপুর ২টায় খুলনা প্রেসক্লাবে খুলনা বিএমএ’র পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন আহবান করা হয়েছে। আজকের সংবাদ সম্মেলন থেকে পরবর্তী কর্মসূচী ঘোষণা করা হতে পারে।

বিপিএইচসিডিওএঃ বাংলাদেশ প্রাইভেট হাসপাতাল ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনাস্টিক ওনার্স এসোসিয়েশন (বিপিএইচসিডিওএ), খুলনা জেলা শাখার সদস্য প্রতিষ্ঠান রাইসা ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনাস্টিক সেন্টারে অফিস সময়কালিন বাদে কর্তবরত চিকিৎসক ডা. মো: আব্দুর রকিব খান রোগীর স্বজনদ্বারা সন্ত্রাসী হামলায় মৃত্যুবরণ করায় বিপিএইচসিডিওএ, খুলনা জেলা শাখা গভীরভাবে শোকাহত। সংগঠনের পক্ষ থেকে মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা ও তাঁর পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন।

বাংলাদেশের এই ক্রান্তিলগ্নে চিকিৎসক হত্যার বিচারের দাবি জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন বাংলাদেশ প্রাইভেট হাসপাতাল ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনষ্টিক ওনার্স এসোসিয়েশন বিপিএইচসিডিওএ, খুলনা জেলা শাখা’র সভাপতি ডা. গাজী মিজানুর রহমান, সহ-সভাপতি ডা. এম. আর. খান, ডা. মো: মোস্তফা কামাল, ডা. মোল্ল্যা হারুন-অর-রশীদ, সাধারণ সম্পাদক ডা. মো: সওকাত আলী লস্কর, যুগ্ম-সম্পাদক ডা. এম. বি. জামান, কোষাধ্যক্ষ ডা. এম. এ. হান্নান, সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. গৌতম রায়, দপ্তর সম্পাদক ডা. বঙ্গ কমল বসু, প্রচার সম্পাদক সাংবাদিক ফারুক আহমেদ প্রমুখ।

ড্যাবের নিন্দাঃ ডক্টরস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ(ড্যাব) খুলনা মেডিকেল কলেজ শাখার সভাপতি ও ড্যাবের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা: সেখ আখতারুজ্জামান ও খুমেক হাসপাতাল শাখার সাধারণ সম্পাদক ডা: আবু জাফর মো: সালেহ পলাশ এক যুক্ত বিবৃতিতে ডা: মো: আব্দুর রকিব খানের ওপর হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তারা হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার করে শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান।

সরাসরি পত্রিকায় পড়তেঃ
Online School of Law, Bangladesh. Online Law Learning Platform.
তথ্য সূত্রঃ দৈনিক পূর্বাঞ্চল (জুন ১৭, ২০২০) স্টাফ রিপোর্টার ঃ খুলনা মহানগর ডিবি পুলিশের একটি টিম গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা পৌনে সাতটার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে খালিশপুর থানাধীন আবু নাসের স্টেডিয়ামের তিন নম্বর গেটের সামনের পাঁকা রাস্তার উপর হতে ৬০পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ দু’জনকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন, মো: জাহিদ হাসান ওরফে পলাশ(৩৫) এবং সাদেকুর রহমান ওরফে রিমন(৩৫)।


 কেএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার শেখ মনিরুজ্জামান মিঠু বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন যাবৎ খুলনা মহানগর এলাকায় মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট ক্রয়-বিক্রয়ের কাজ করে আসছে। তাদের বিরুদ্ধে নগরীর খালিশপুর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সরাসরি পত্রিকায় পড়তেঃ
Online School of Law, Bangladesh. Online Law Learning Platform.
তথ্য সূত্রঃ দৈনিক পূর্বাঞ্চল (জুন ১৫, ২০২০)

র‌্যাব-৬, খুলনার একটি অভিযানিক দল গতকাল রোববার সন্ধ্যায় নগরীর দৌলতপুর থানাধীন মধ্যডাঙ্গা ঈদগাহ মাঠের পশ্চিমপাশ থেকে ১৬৫পিস ইয়াবাসহ দু’জনকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন, মো: মারুফ শেখ(৩০) ও মো: জীবন হোসেন(২২)।


র‌্যাবের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারেন যে, কেএমপির দৌলতপুর থানাধীন মধ্যডাঙ্গা ঈদগাহ্ মাঠের পশ্চিম পাশে কতিপয় ব্যক্তি মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় করছে। এরুপ প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল সন্ধ্যা পৌনে সাতটার দিকে উক্ত স্থানে অভিযান পরিচালনা করে মধ্যডাঙ্গার মো: আজাহার শেখের ছেলে মোঃ মারুফ শেখ(৩০) এবং শেখ জাহাঙ্গীর হোসেনের ছেলে মোঃ জীবন হোসেন(২২ কে ১৬৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে খুলনা মহানগরীর দৌলতপুর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা রুজু হয়।


তথ্য সূত্রঃ ৪র্থ পাতা (দৈনিক পূর্বাঞ্চল : জুন ১৫, ২০২০)

➲ সরাসরি পত্রিকায় পড়তেঃ
Online School of Law, Bangladesh. Online Law Learning Platform.
তথ্য সূত্রঃ দৈনিক পূর্বাঞ্চল (জুন ৮, ২০২০)

ভারতের আলোচিত মাফিয়া ডন দাউদ ইব্রাহিমকে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর নির্দেশে গোপন অভিযানে হত্যা করা হয়েছে। তিনি করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যাননি বলে দাবি করেছে আনন্দবাজার পত্রিকা।

ভারতীয় গোয়েন্দা সূত্রকে উদ্ধৃত করে যুক্তরাজ্যের প্রভাবশালী একটি সংবাদমাধ্যমে ওই সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের এ প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম।



আনন্দবাজারের খবরে বলা হয়, করাচিতে কঠোর নিরাপত্তায় মোড়া ডনের আড্ডায় পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মেডিকেল টিম কয়েক মাস আগে এই অভিযানটি চালিয়েছিল। যেভাবে হঠাৎ একের পর এক অঙ্গ বিকল হয়ে দাউদের মৃত্যু হয়েছে, তা থেকে মনে হয়েছে- সম্ভবত কোনো বিষাক্ত রাসায়নিক ইঞ্জেকশন দেয়া হয়েছিল তার দেহে।

শনিবার দাউদের মৃত্যু সংবাদ ছড়িয়ে পড়ার পরে তার ভাই আনিস ইব্রাহিম মুম্বাইয়ের কয়েকটি সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, ‘ভাই’ (দাউদ) এবং তার ডান হাত ছোটা শাকিল সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবন যাপন করছে।

লন্ডনের সংবাদপত্রটিকে ভারতের গোয়েন্দা সূত্র জানিয়েছে, পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা ইন্টার-সার্ভিসেস ইনটেলিজেন্স (আইএসআই)-এর নির্দেশেই আনিস এই বার্তা পাঠিয়েছে। কারণ দাউদের পরিবারকে ডনের মৃত্যুসংবাদ অস্বীকার করার নির্দেশই দিয়েছে আইএসআই।

লন্ডনের সংবাদপত্রটি আরও জানিয়েছে, ২০১৭ থেকে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর একটি অংশ দাউদকে সরিয়ে দিতে তৎপর হয়। তখন থেকেই দাউদকে হত্যার পরিকল্পনা সাজানো শুরু হয়।

মূলত মার্কিন চাপেই এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে তাদের সূত্র জানিয়েছে।

কারণ হিসেবে বলা হয়, অসংখ্য মার্কিন নাগরিককে হত্যায় অভিযুক্ত দাউদকে করাচি-ছাড়া করার জন্য পাকিস্তানের ওপরে চাপ দিচ্ছিল। ভারতও দাউদ ও পশ্চিম এশিয়ার নানা জায়গায় থাকা তার আত্মীয়-স্বজনদের বিষয়ে মার্কিন এবং অন্য কয়েকটি দেশের গোয়েন্দা সংস্থাকে রিপোর্ট সরবরাহ করে গোপন অভিযানের জন্য চাপ বাড়াচ্ছিল।

তবে ভারতীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মমকর্তা রোববার আনন্দবাজারকে জানিয়েছেন, দাউদের মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট খবর তাদের কাছে নেই।

ওসামা বিন লাদেনের মৃত্যুর পর থেকেই ভারত, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন দাউদকে আশ্রয় দেয়া বন্ধ করে আদালতে হাজির করার জন্য পাকিস্তানের ওপর চাপ দিচ্ছে।

এই পরিস্থিতিতে ডনের মৃত্যু সংবাদ ছড়িয়ে পাকিস্তান লাভবান হতে পারে বলে মনে করছে ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

১৯৯৩ সালের আলোচিত মুম্বাই হামলার মূলহোতা দাউদ ইব্রাহিম মূলত মুম্বাইয়ের বাসিন্দা হলেও বেশ কয়েক দশক ধরে সপরিবারে পাকিস্তানে গা ঢাকা দিয়ে রয়েছেন তিনি। যদিও সে সম্পর্কে নিশ্চিত ভাবে কিছু জানায়নি ইসলামাবাদ। ২০০৩ সালে ভারত ও জাতিসংঘ দাউদ ইব্রাহিমকে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদী ঘোষণা করে।